৭ জুলাই ২০১৮
অতিথি প্রতিবেদক : প্রচলিত বিধি অনুযায়ী, সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রত্যেক প্রার্থীকে একটি হলফনামার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, অতীত ও বর্তমান মামলার খতিয়ান, আয়ের উৎস, নিজের ও নির্ভরশীলদের আয়-ব্যয় ও সম্পদের হিসাব মনোনয়নপত্রের সঙ্গে জমা দিতে হয়েছে।
একইসঙ্গে জমা দিতে হয়েছে তাদের আয়কর বিবরণী। এর প্রধান উদ্দেশ্য ভোটারদের তথ্য দেওয়া, যাতে তারা জেনে-শুনে-বুঝে নিজেদের বিবেচনায় সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের পক্ষে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন।
নির্বাচন কমিশনে দেওয়া হলফনামায় ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত মেয়র প্রার্থী ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন খান বার্ষিক আয় দেখিয়েছেন ১১ লাখ ২০ হাজার ৬৪০ টাকা।
পেশায় চিকিৎসক এই মেয়র প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ‘ডিএফএম’। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা নেই। অস্থাবর সম্পদের মধ্যে নগদ ২০ হাজার টাকা ও বন্ড/শেয়ার রয়েছে এক লাখ টাকার।
নিজের আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য দেখিয়েছেন ৭০ হাজার টাকা। স্থাবর সম্পদের মধ্যে যৌথ মালিকানায় নিজের ৫০ শতক কৃষি জমি রয়েছে। স্ত্রী, নির্ভরশীলদের মালিকানায় কৃষি/অকৃষি জমি ও কোনো দালান নেই।
ব্যাংক ব্যালেন্স, নগদ টাকা, স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র ও ইলেকট্রনিক সামগ্রীও নেই তার স্ত্রীর। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে কোনো ধার-দেনা নেই চাঁদপুর জেলা সদরের মৈশাদী এলাকার স্থায়ী বাসিন্দা এই মেয়র প্রার্থীর।
(আজকের সিলেট/৭ জুলাই/ডি/এসসি/ঘ.)