৮ জুন ২০১৮


আরিফের পর কয়েস লোদীর অফিসে কামরান

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল (১) রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর অফিসে মধ্যরাতে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর আগমনের তিন দিন পর শুক্রবার বাদ জুমআহ কয়েস লোদীর অফিসে দেখা গেলা সিসিকের প্রথম মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরানকে।

জানা যায়, শুক্রবার বদর উদ্দিন আহমদ কামরান জুমআহ’র নামাজ আদায় করেন হাউজিং এস্টেট মসজিদে। নামাজের পর তিনি উপস্থিত মুসল্লিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। এসময় কয়েকজন মুরব্বি তাকে পার্শবর্তী কয়েস লোদীর অফিসে নিয়ে যান। সেখানে বসে তিনি মুরব্বিদের সাথে কথা বলেন।

এসময় উপস্থিত মুরব্বিরা সিসিকের এই প্রথম মেয়রের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এসময় বদর উদ্দিন আহমদ কামরান বলেন, আমি সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে রাজনীতির উর্ধ্বে এনেছি। সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে একটি গণমুখী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করবো।

কামরান তার বক্তব্যে কয়েস লোদীকে একজন ‘অতি ভদ্রলোক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। প্যানেল মেয়র হিসেবে কয়েস লোদীকে বিগত সময়ে দায়িত্ব না দেয়ার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, প্যানেল মেয়র হওয়া সত্বেও দায়িত্ব না দিয়ে লোদীর প্রতি প্রতিহিংসামুলক আচরণ করা হয়েছে। তিনি কয়েস লোদীক দায়িত্ব না দিয়ে সিটি কর্পোরেশনের আইন লঙ্গণ করেছেন।

কামরান শান্তিপূর্ণ নির্বাচন কামনা করে বলেন, আপনারা অপপ্রচারের বিভ্রান্ত হবেন না। তিনি ঈমান আক্বিদা রক্ষার উপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, আমাদের ইয়াংরা যাতে পথভ্রষ্ট না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।

কয়েস লোদী সাবেক মেয়র কামরানকে ‘সবার প্রিয় মানুষ’ এবং ‘শ্রদ্ধাভাজন সহকর্মী’ আখ্যায়িত করে বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর তার নেতৃত্বে আমার কাজ করার সুযোগ হয়েছে। আমরা চাই জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি। আল্লাহ সম্মান দানের মালিক। যখন যাকে ইচ্ছা তিনি সম্মানিত করেন। যিনি যোগ্য আল্লাহ যেন তাকে কবুল করেন।

এ সময় সিলেট জেলা বারের সাবেক সভাপতি ফখর উদ্দিন, বিএমএ-র সাবেক সভাপতি ডা. একেএম হাফিজ, ডা. প্রফেসর একেএম দাউদ, লায়ন্স-এর ডিস্ট্রিক্ট গভর্নর ডা. আজিজুর রহমান, বিশিষ্ট মুরব্বী আতাউর রহমান, সিলেট চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাষ্ট্রির সিনিয়র সহ সভাপতি মাসুদ আহমেদ চৌধুরী, হাউজিং এস্টেট এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ফুয়াদ রব চৌধুরী, সমাজসেবী হাজী সফিক উদ্দিন আহমদ, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি মতিউস সামাদ চৌধুরী মতি, সমাজকর্মী ওলায়েত হোসেন লিটন, পরিবেশকর্মী আব্দুল করিম কিম, কাউন্সিলর প্রার্থী আকরার বক্ত মজুমদার প্রমূখ।

প্রসঙ্গত, ভোটের মাঠে হাউজিং এস্টেট একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। এখানে দলীয় পরিচয়ের চেয়ে ব্যক্তি ইমেজই বেশী কাজ করে। তাই মেয়র প্রার্থীরা এই এলাকার ভোটারদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন।

মধ্যরাতে কয়েস লোদীর সাথে কি কথা মেয়র আরিফের?

অবশেষে কয়েস লোদীর বাসায় মেয়র আরিফ

সাড় তিন বছর পর এক সাথে আরিফ-লোদী!

(আজকের সিলেট/৮ জুন/এসটি/ঘ.)

শেয়ার করুন