২৫ জুলাই ২০১৭

নিজস্ব প্রতিবেদক:: জুয়ার আসরে বাধা দেওয়ায় গ্রামপুলিশ ও জুয়াড়িদের সাথে স্থানীয়দের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মঙ্গলবার সকাল ১১ টার দিকে গোলাপগঞ্জ থানার বাঘা ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের তুরুকভাগ গ্রামের, গ্রামপুলিশ অবনী মালাকারের ঘরে জুয়ার আসর বসলে,গোলাপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মিলাদুর রহমানের বড় ভাই সৈয়দ ছাইফুল আলম কয়ছর স্থানীয় কয়েকজন যুবক সাথে নিয়ে জুয়ার আসরে বাধা দেন,এসময় গ্রাম পুলিশ অবনী মালাকার ও তার সাথের জুয়াড়িরা স্থানীয়দের উপর দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালান।পাশাপাশি অবনী মালাকার ও জুয়াড়িরা পাশের বাড়ির ছাইফুল আলমের গ্যাস লাইনে কাজ চলাকালীন অবস্থায় রাইজার খুলে নিয়ে যায় ও ছাইফুল আলমের ঘরে ব্যাপক ভাংচুর চালায় ।হামলায় ছাত্রলীগ নেতার বড় ভাই ছাইফুল আলম কয়ছর সহ বেশ কয়েকজন আহত হন,আহতরা সিলেট এম এ জি উসমানি মেডিকেল কলেজ ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, অবনী মালাকার গ্রামপুলিশের সদস্য ও সংখালুগু হওয়ায় প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ করে যাচ্ছেন,রাত হলেই ঘরে বসে জুয়াড় আসর,মদ গাজা ও খারাপ মেয়েদের নিয়ে নেশায় মেতে উঠে তারা,রাত যত গভীর হয় তত অপরিচিত মানুষের আনাগুনা বেড়ে যায়।যার কারণে স্থানীয়রা বিভ্রত অবস্থায় আছেন। আর এ কাজে সঙ্গ দিচ্ছেন তার দুই ছেলে ও ভাতিজা ,সাধু মালাকার,লিদন মালাকার,পটল মালাকার,ইরন মালাকার,রঞ্জন মালাকার এছাড়াও এলাকার কয়েকজন লোক টাকার বিনিময়ে তাদের প্রটোকল দিচ্ছেন বলে অভিযোগ আছে। ছাত্রলীগ নেতা মিলাদুর রহমান বলেন অবনী মালাকার প্রায় সময় প্রকাশ্যে বলে বেড়ান,তার নাকি মদ গাজা বিক্রি করার লাইসেন্স আছে,কিন্তু লাইসেন্স চাইলে সে দেখাতে ব্যার্থ হয়।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত গোলাপগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানা গিয়েছে।
আজকের সিলেট/এস আর/ঘ.