২৪ মে ২০১৮


শাবিতে কর্মকর্তাকে পিটিয়ে আহত করলেন কর্মচারী

শেয়ার করুন

শাবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন দপ্তরের এক কর্মকর্তাতে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের এক কর্মচারীর বিরুদ্ধে।

বুধবার রাত সোয়া ১০টার দিকে কমকর্তা-কর্মচারীদের ‘লন্ডনী বাড়ি’ স্টাফ কোয়ার্টারে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান বিশ্ববিদালয়ের সহকারী প্রক্টর জাহিদ হাসান।

আহত মো. জুবেদ মিয়া পরিবহন দপ্তরের অফিস সহকারী। আর মারধরকারী শফিক মিয়া নিরাপত্তা দপ্তরের সুপারভাইজার।

জাহিদ হাসান বলেন, আহত জুবেদ মিয়াকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তার চিকিৎসা চলছে।

আহত জুবেদ মিয়া বলেন, “ দীর্ঘদিন যাবত শফিক মিয়া আমাকে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। স্টাফ কোয়ার্টারে অনেকেই বিভিন্ন সময়ে সে ও তার ছেলে মিলে হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। কেউ ভয়ে তার বিরুদ্ধে কথা বলে না।”

“ বুধবার তারাবির শেষে আমি কোয়ার্টারে গিয়ে বাসার টিভির এন্টিনা ঠিক করতে গেলে শফিক মিয়া আমার সাথে এসে বাকবিতন্ডায় জড়ায়। এক পর্যায়ে সে আমাকে লাঠি দিয়ে পেছন থেকে পিঠে আঘাত করা শুরু করে।”

“ পরবর্তীতে তার ছেলে নাইম মিয়া এসেও আমাকে বাঁশ দিয়ে আঘাত করে। এসময় চিৎকার শুনে আশেপাশের কোয়ার্টারের সবাই এসে আমাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে। ”

পরিবহন ড্রাইভার কামরুল হাসান বলেন, “ আমি ঘটনার সময় সামনে ছিলাম না। চিল্লা-চিৎকার শুনে এসে দেখি জুবেদ মিয়া আহত অবস্থায় পড়ে আছেন। পরে তাকে হাসপাতালে নিয়ে আসি।”

এর আগেও মারধরকারী শফিক মিয়ার বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনেছিলেন স্টাফ কোয়ার্টার অনেকেই। তার এবং তার ছেলের বিরুদ্ধে জালালাবাদ থানায় বিভিন্ন সময়ে মামলাও হয়েছে।

এর মধ্যে গত বছরে কেমেস্ট্রি বিভাগের এমএলএস আব্দুর রউফকে মারধরের ঘটনায় জালালাবাদ থানায় দায়ের করা মামলায় বেশ কয়েকদিন জেল খাটে শফিক মিয়ার ছেলে নাইম।

এর আগে পরিবহন দপ্তরের ড্রাইভার কালাম মিয়াকে মারধরের ঘটনায় জালালাবাদ থানায় মামলা হলে ৮হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দিয়ে রেজিস্ট্রারের মাধ্যমে সমঝোতায় মীমাংসা হয়।

সহকারী প্রক্টর জাহিদ হাসান, আমরা শফিক মিয়ার বিরুদ্ধে মারধরের ঘটনাটি তদন্তের মাধ্যমে খোঁজ নিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

(আজকের সিলেট/প্রতিনিধি/এইচআই/২৪মে/ঘ.)

শেয়ার করুন