১৪ মে ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে সিলেটে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইফতেখার কবির, সওজ সিলেটের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মনিরুল ইসলাম ও ঠিকাদার লুৎফুর রহমান জামিন পেয়েছেন।
সোমবার তারা মহানগর দায়রা জজ মফিজুর রহমান ভুইঞার আদালতে হাজির হয়ে জামিনের প্রার্থনা জানালে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।
সিলেটের অতিরিক্ত পিপি মাহফুজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. ফরিদ আহমদ পটোয়ারী বাদী হয়ে গত ২৬ মার্চ সিলেট কোতোয়ালি প্রতারণা ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এ মামলা দায়ের করেন।
আসামিরা হলেন, সড়ক উপ-বিভাগ সিলেটের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম আহমেদ, সড়ক বিভাগের সহকারী প্রকৌশলী মো. আনোয়ার হোসেন, কুড়িগ্রাম সড়ক বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আবুল বরকত মো. খুরশীদ আলম, সড়ক গবেষণাগারের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. তানভীর আহমদ, সড়ক পরিকল্পনার বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শেখ মনিরুল ইসলাম, তত্ত্ববধায়ক প্রকৌশলী চন্দন কুমার বসাক, সাবেক অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইফতেখাব কবির ও ঠিকাদার লুৎফুর রহমান। এরা সবাই সিলেট সড়ক বিভাগে কর্মরত ছিলেন। তবে, সোমবার এর মধ্যে ৬ জন জামিন পেয়েছেন।
মামলার অভিযোগের বরাত দিয়ে কোতোয়ালি থানার ওসি গৌসুল হোসেন জানান, ২০১৬ সালে আসামিরা সিলেট-সুনামগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের সংস্কার প্রকল্পে পরস্পরের যোগসাজসে এক কোটি ১৩ লাখ ২৩ হাজার ৪১৬ টাকার অসম্পাদিত কাজকে সম্পাদিত দেখিয়ে টাকা আত্মসাৎ করেন। দুদকের সরেজমিন তদন্তে তা বেরিয়ে আসায় এ মামলা করেন বলে এজাহারে উল্লেখ করেছেন বাদী।
(আজকের সিলেট/১৪ মে/ডি/এসটি/ঘ.)