৭ ডিসেম্বর ২০২৩


কপাল খুলছে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরীর!

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে হুছামুদ্দীন চৌধুরী। — ফাইল ছবি

শেয়ার করুন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক : আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের মাঠে লড়াইয়ে সরগরম প্রার্থীরা। সিলেটের প্রতিটি আসনে আ. লীগের মনোনীত প্রার্থী ছাড়াও রয়েছেন,জাপা তৃণমূল বিএনপি,ইসলামী ঐক্যজোটসহ ন্যাশনাল পিপলস পার্টির প্রার্থী। মনোনয়ন বৈধ ঘোষিত প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণার জন্য প্রস্তুত হলেও এরই মধ্যে আলোচনার তুঙ্গে উঠেছে আসন ভাগাভাগির কথা।

ভাগাভাগির আলোচনায় শীর্ষে রয়েছে সিলেট-৬,২ ও ৫। ধারণা করা হচ্ছে, সিলেট-৫ (কানাইঘাট-জকিগঞ্জ) আসনে কপাল খুলতে পারে মহাজোটের সমর্থনে থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী আনজুমানে আল ইসলাহের সভাপতি মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরীর। দরকষাকষিতে তাকে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে আসনটি।

যদি এমনটা ঘটে তবে দ্বিতীয় বারের মতো ভোটের মাঠ থেকে সরে যেতে হতে পারে বীর মুক্তিযোদ্ধা মাসুক উদ্দিন আহমদকে।



‘প্রধানমন্ত্রী আমাকে আশ্বস্ত করেছেন নির্বাচন অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু হবে। এছাড়া আমাকে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাসও দিয়েছেন। দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। সবকিছু এ মুহূর্তে বলা সম্ভব নয়।’

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে গণমাধ্যমকে হুছামুদ্দীন চৌধুরী। 



 

এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মাসুক উদ্দিন আহমদকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছিল। পরে সেটি প্রত্যাহার করে মহাজোট থেকে জাতীয় পার্টির সেলিম উদ্দিনকে এ আসনে প্রার্থী করা হয়। তিনি বিজয়ী হয়ে সংসদে বিরোধী দলীয় হুইপ হন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ হাফিজ আহমদ মজুমদারকে মনোনয়ন দেয়। বর্তমানে তিনি সিলেট-৫ আসনের সংসদ সদস্য। বার্ধক্যজনিত কারণে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন না তিনি।

উল্লেখ্য,সিলেটজুড়ে মাওলানা হুছামুদ্দীন চৌধুরীর বাবা মাওলানা ফুলতলীর তৈরি সংগঠন আনজুমানে আল ইসলাহ-র অসংখ্য ভক্ত ও মুরিদ রয়েছেন। এই আসনের জকিগঞ্জে তার বাড়ি হওয়ায় তার জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এতসব সমীকরণের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাকে ডেকে পাঠানোর পর গুঞ্জনটি আরও জোরদার হয়েছে। বলা হচ্ছে, সমঝোতা ও ভাগাভাগির মিছিলে ফুলতলীপন্থী হুছামুদ্দীনের জন্য আসনটি ছেড়ে দিতে পারে আওয়ামী লীগ।

এএস // আতারা

 

শেয়ার করুন