৩০ নভেম্বর ২০২৩
দোয়ারাবাজারের শ্রীপুরবাজার থেকে জাউয়াবাজার পর্যন্ত সড়কের অবস্থা। ছবি : সংগৃহীত
দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : খানাখন্দে ভরপুর সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার শ্রীপুর থেকে ছাতকের কফলা সড়ক।পাথর, খোয়া ও বালু উঠে গিয়ে অসংখ্য গভীর গর্ত সৃষ্টি হয়েছে সড়কে। বর্তমানে সড়কটিতে যান চলাচল করা বড্ডো কঠিন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, সড়কের অধিকাংশ অংশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে।প্রতিদিন ওই রাস্তা দিয়ে ছোট-বড় কয়েক হাজার যানবাহন চলাচল করছে ঝুঁকি নিয়ে। শ্রীপুরবাজার থেকে কফলা পর্যন্ত প্রায় ছয় কিলোমিটার সড়কের দু’পাশে দুই শতাধিক স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। যার ফলে এক গাড়ি অন্য গাড়িকে পাশ কাটতে গিয়ে প্রায়ই ঘটছে দুর্ঘটনা। সামান্য বৃষ্টিতেই এ ভাঙনগুলোতে আরো ভয়াবহ রূপ দেখা দেয়, বৃষ্টির পানি জমে পুকুর সমান হয়ে থাকে। এতে চলাচলে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয়দের।
উপজেলার পান্ডারগাঁও ইউনিয়নের ৩০ গ্রামের মানুষের জেলা শহর সুনামগঞ্জ ও বিভাগীয় শহর সিলেটে যাতায়াত এবং কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর হাজী কনুমিয়া উচ্চবিদ্যালয়, মঙ্গলপুর বাজার দাখিল মাদরাসা ও জাউয়া ইউনিয়নের জনতা উচ্চবিদ্যালয়ে চলাচলের একমাত্র সড়ক এটি। সংস্কারের অভাবে সড়কটি দিন দিন ভেঙে চলাচলের অনুপযুক্ত হয়ে পড়লেও ২০ বছরের এ দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই।
স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী বলেন, এই সড়কে চলাচল করতে আমাদের খুব ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। দেখার যেন কেউ নেই। ২০ বছর ধরে সড়কটি সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেননি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ফলে এ অঞ্চলের শিক্ষা, কৃষি ও চিকিৎসা সেবাসহ এ অঞ্চলের মানুষের জীবন-মান দিন দিন পিছিয়ে পড়ছে।
যাত্রী কামাল উদ্দিন বলেন, সড়কটির এ সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। কিন্তু সংস্কারের কোনো উদ্যোগ নেই। যাতায়াতে খুব কষ্ট পোহাতে হয়।
এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতরের (এলজিইডি) দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুল হামিদ বলেন, ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে সড়কটির টেন্ডার ড্রপ হবে। ঠিকাদার নিয়োগের পর কাজ শুরু হবে।
এএস // আতারা