১০ এপ্রিল ২০১৮


সুরমা নদীতে বর্জ্য ফেলা বন্ধে হাইকোর্টের রুল

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সুরমা নদী ও এর আশপাশে বর্জ্য ফেলা বন্ধে নিষ্ক্রিয়তাকে কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এছাড়া সুরমা নদীতে বর্জ্য ফেলার মাধ্যমে পানি ও বায়ু দূষণ বন্ধে কেন ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চাওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের পরিপ্রেেিত বিচারপতি সালমা মাসুদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ কে এম জহিরুল হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।

আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে পরিবেশ সচিব, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব, নৌ-পরিবহন সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, শিল্প সচিব, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপরে (বিআইডব্লিউটিএ) চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তর মহাপরিচালক, পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট ২৭ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

সুরমা নদীতে বর্জ্য ফেলার মাধ্যমে পানি ও বায়ু দূষণ নিয়ে সম্প্রতি একটি জাতীয় দৈনিকে ‘সিলেটে সুরমায় দূষণ, নদী না ভাগাড়’-শিরোনামে একটি জাতীয় দৈনিকে গত ৩১ মার্চ একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সিলেট নগরীর কালীঘাট থেকে টুকেরবাজার, একইভাবে কালীঘাট থেকে দণি সুরমা উপজেলার কুচাই এলাকা পর্যন্ত সর্বত্রই যেন আবর্জনা ভাগাড়। আবর্জনা ডাস্টবিনে না ফেলে সরাসরি ফেলা হচ্ছে সুরমায়। এখন সুরমা নদীর উপরিভাগ যেন আবর্জনার দখলে। আবর্জনার কারণে নদীতে পানি আছে কি-না সেটি সঠিকভাবে বোঝা যায় না। অনেক স্থানে আটকে আছে আবর্জনা। সেই আবর্জনার পুরুত্ব এতই বেশি যে, শক্ত কাঠি দিয়েও নিচের দিকে নামানো যায় না। অনেক স্থানে লোকজনকে আবর্জনা ওপর দিয়ে যেতে দেখা যায়।

একই বিষয়ে অন্য জাতীয় দৈনিকেও আরো প্রতিবেদন বিভিন্ন সময়ে প্রকাশিত হয়েছে। এসব প্রতিবেদন যুক্ত করে জাস্টিস ওয়াচ ফাউন্ডেশনের পে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের করেন আইনজীবী মাহফুজুর রহমান মিলন।

(আজকের সিলেট/১০ এপ্রিল/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন