২৪ নভেম্বর ২০২৩


গোয়ইনঘাটে নতুন ধান কাটা-মাড়াই ও শুকাতে ব্যস্ত কৃষাণ কৃষাণী

শেয়ার করুন

সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, গোয়াইনঘাট: গোয়াইনঘাটে নতুন ধান কাটা-মাড়াই ঝাড়াই ও শুকাতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কিষান-কিষানিরা। রোপা আমনের শুরুতেই অনাবৃষ্টি আর মধ্যখানে পোকার আক্রমণে দুশ্চিন্তায় সময় পার হলেও শেষমেষ আশানুরূপ ফলন হওয়ায় বেশ খুশি তারা। আর পুরো মৌসুমজুড়ে সোনালী ধানের শীষে হেমন্তের রং মিশে দিগন্ত জুড়া মাঠে মাঠে সোনা ফলেছে।

হেমন্তের কুয়াশামাখা সকালে মাঠে মাঠে নুয়ে পড়া ধানগাছের গোড়ায় কাস্তে চালাচ্ছেন কৃষকরা। ঋতু বদলের সঙ্গে সঙ্গে কার্তিক মাসের মধ্যেই সময় থেকেই গোয়াইনঘাটের বিভিন্ন মাঠে ধান কাটা ও মাড়াইয়ের কাজ চলছে। ফসল তোলার উৎসবে ক্ষেত মজুরদের পাশাপাশি কিষান-কিষানিরা কাজ করছেন।মাঠের ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষক খলা ও আঙ্গিনায় ধান শুকাতে ও ঝাড়তে ব্যস্ত গৃহিণীরা।

এ ছাড়াও গরুর খাদ্য হিসেবে খড়ের চাহিদা বৃদ্ধি ও ধানের দাম ভালো থাকায় লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা। একই সাথে রঙিন হয়ে উঠেছে প্রান্তিক কৃষকের স্বপ্ন। মাঠজুড়ে এখন সোনালি স্বপ্নের ছড়াছড়ি। নতুন ধানের উপস্থিতিতেই কৃষক পরিবারে লেগেছে আনন্দের ঢেউ।সাধরণত অগ্রহায়ণ মাসে আমন ধান কাটার উপযুক্ত সময় হলেও কার্তিক মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে গেছে ধানকাটা।

গোয়াইনঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রায়হান পারভেজ রণি জানান, এবার উপজেলায় রোপা আমন আবাদে সরকারি লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৬ হাজার ৮৩৩ হেক্টর জমি। তবে আমাদের পরামর্শ ও সরকারি বিভিন্ন উপ-করণ সহায়তা পেয়ে কৃষক ভাইয়েরা এবার জমি আবাদে ঝাঁপিয়ে পড়েন। যে কারণে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে ১৭ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমি। এবার প্রকৃতি অনুকূলে থাকায় জমিতে বাম্পার ফলন হওয়ায় আশা করছি, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে অধিক ফসল কৃষকদের গোলায় উঠবে। এর মধ্যে গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে উপজেলার বিভিন্ন আমনের মাঠে ধান কাটা শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন