১৮ নভেম্বর ২০২৩
প্রযুক্তি নির্ভর বিশ্বে মই এখন বিলুপ্তপ্রায়। কমেছে ক্রেতাদের চাহিদা। কমেছেন কারিগর। ছবি : আজকের সিলেট
অমৃত জ্যোতি : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর বাজারে আজও দেখা মিলে কৃষি কাজের অতিগুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ‘মই’। আগেকার দিনে মইয়ের চাহিদা ছিল অনেক। বর্তমানে প্রযুক্তি নির্ভরতায় এর চাহিদা কিছুটা কমলেও এখনো মধ্যনগরের অধিকাংশ কৃষক মই দিয়ে চাষ করেন।
আরও পড়ুন : হাওরাঞ্চলের মানুষের বিশ্বস্ত নেতা শেখ হাসিনা : পরিকল্পনামন্ত্রী
আরও পড়ুন : হবিগঞ্জে বিএনপির ৪৭ নেতাকর্মীর নামে মামলা
শনিবার মধ্যনগর উপজেলা সদরে মই,লাঙ্গল, জোয়ালসহ কৃষিকাজের প্রয়োজনীয় উপকরণের বেশ জমজমাট হাট বসতে দেখা গেছে।
এ অঞ্চলের আংশিক জমিতে রয়েছে বারোমাসী চাষাবাদ। এছাড়া বেশিভাগ কৃষি জমিতে আশ্বিন মাসের শেষ দিকে চাষাবাদ শুরু হয়।চাষের পরে মাটির সমতা আনতে কৃষকেরা ঐতিহ্যের ধারক এ মই ব্যবহার করে থাকেন। এছাড়া ধানের বীজতলা,সরিষা, আলু,বাদাম,ধানের চারা রোপণসহ সবরকম শস্য উৎপাদনের পূর্বে ‘মই’ ব্যবহার করা হয়।
আরও পড়ুন : ঘূর্ণিঝড় মিধিলির প্রভাবে মৌলভীবাজারে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
প্রায় দুই যুগ থেকে মই তৈরী করেন কাঠমিস্ত্রি আবুল হোসেন।তার সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, পঁচিশ বছর আগে একটি মইয়ের দাম ছিল মাত্র ৫০টাকা।বর্তমানে ৪শত টাকা বিক্রি করেন তিনি। তবে চাহিদা কিছুটা কমে গেছে। চাহিদা কমলেও মই কৃষি কাজে খুব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিক রাখে বলেও জানান তিনি।
তিনি বলেন,’আমি দৈনিক ৪টি মই তৈরী করতে পারি। মোটামুটি ভালই দিন কাটছে।
এএস // আতারা