রোববার রাতে এক যৌথ বিবৃবিতে সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী বলেন, চলমান গণতন্ত্র পুনরদ্ধার আন্দোলন দমিয়ে রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীকে বিরোধী মত দমনে কঠোর ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রতিদিনই দলীয় নেতাকর্মীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে। বাসা-বাড়ীতে তল্লাশীর নামে পুলিশী হয়রানী চলছে। এরই ধারবাহিকতায় জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি গোলাম রব্বানী, ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমদ, সাবেক ছাত্রদল নেতা আব্দুস সালাম টিপু, জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি এনামুল কবির চৌধুরী সোহেল, ১০নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের আহ্বায়ক সোহেল আহমদ, ওয়ার্ড বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, আলী হোসেন মুক্তার, শুকুর আলী, যুবদল নেতা সোহেল মিয়া, ছাত্রদল নেতা সাব্বির আহমদ পাটোয়ারীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়া ৫নং ওয়ার্ড সভাপতি সাদিকুর রহমান সাদিক ও মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহসানের বাড়ীতে তল্লাশীর নামে পুলিশী হয়রানী চালানো হয়েছে। পুলিশের তল্লাশী থেকে বাদ যাচ্ছেনা বিএনপি অঙ্গ-সংগঠনের নেতাকর্মীদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। অনেক নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়ীতে গিয়ে পুলিশ সদস্যরা খারাপ আচরণ করেছে। তারা পরিবারের নারী ও শিশু সদস্যদের আতঙ্কিত করছে। যা আইন ও মানবাধিকারের সম্পূর্ণ লংঘন।তারা বলেন, হামলা-মামলা, গ্রেফতার-নির্যাতন চালিয়ে চলমান আন্দোলন বন্ধ করা যাবেনা। অবিলম্বে আটক নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তি দিতে হবে। বাসা-বাড়ী ও ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানে তল্লাশীর নামে পুলিশী হয়রানী বন্ধ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারি বাহিনীর সদস্যদের সরকার দলের লাঠিয়াল বাহিনীর ভুমিকা থেকে সরে আসার আহ্বান জানান তারা।