৩ এপ্রিল ২০১৮
ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর ধোপাদিঘীর পাড় এলাকার সন্ধ্যাবাজারস্থ মার্কেটে মেয়র আরিফের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার অভিযানের দ্বিতীয় দিনেও পৌরবিপনী মার্কেটের দ্বিতীয়তলার অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকেই সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নেতৃত্বে এ অভিযান শুরু হয়। এর আগে গতকাল সোমবার একটি অসামাজিক কার্যকলাপের আস্তানায় সোমবার দুপুরে অভিযান চালিয়েছিলেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।
সিটি কর্পোরেশনের মালিকানাধীন পৌরবিপনী মার্কেটের দ্বিতীয়তলা পরিদর্শনে গিয়ে এই ‘নিষিদ্ধ পল্লীর’ সন্ধান পান তিনি। পরে পুলিশ ডেকে অভিযান চালিয়ে সেখানে ‘ব্যাচেলর হোটেল’ নামের জায়গা থেকে ৬ পতিতা ও হোটেলের দুই কর্মচারীকে আটক করা হয়। তাদেরকে আটকের পর পরই নিজেই অ্যাকশনে নামেন মেয়র আরিফ। নিজ হাতে তিনি অবৈধ এসব স্থাপনা ভাঙ্গা শুরু করেন। পরে সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীরা মার্কেটের দ্বিতীয়তলার সবকটি কক্ষ ভেঙ্গে ফেলেন।
মঙ্গলবার অভিযানে সিসিকের ওয়ার্ড কাউন্সিলর দিনার খান হাসুসহ সিসিকের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। পুরো অবৈধ স্থাপনা গুড়িয়ে দিতে সন্ধ্যাবাজার মার্কেটের সামনে প্রস্তুত রাখা হয়েছে সিসিকের বিভিন্ন ধরনের উন্নত যান এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি।
মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী জানান, পৌরবিপণী মার্কেট এমনিতেই ঝুঁকিপূর্ণ। এরমধ্যে দ্বিতীয়তলায় নির্মিত ঘরগুলোও অবৈধ। দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ ঘরের ভেতর অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছে বলে স্থানীয় লোকজন ও ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে আসছেন। তাই এখানে যাতে আর কোন অবৈধ কার্যকলাপ চলতে না পারে সেজন্য এসব স্থাপনা সিটি করপোরেশন গুড়িয়ে দেবে।
উল্লেখ্য, সিটি করপোরেশন সূত্রে জানা যায়, সিটি করপোরেশনের মালিকানাধীন পৌরবিপণী মার্কেটের দ্বিতীয়তলায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে ঘর তৈরি করে ‘ব্যাচেলর হোটেল’ নাম দিয়ে ভোগদখল করে আসছিলেন আলা উদ্দিন আলোসহ কয়েক ব্যক্তি। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের লক্ষ্যে সোমবার দুপুরে পৌরবিপনী মার্কেট পরিদর্শনে যান মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। তখন ওই মার্কেটের নিচতলার ব্যবসায়ীরা জানান, মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় অবৈধভাবে নির্মিত ‘হোটেল ব্যাচেলরে’ দীর্ঘদিন ধরে অসামাজিক কার্যকলাপ চালিয়ে আসছেন আলা উদ্দিন আলো।
(আজকের সিলেট/৩ এপ্রিল/ডি/কেআর/ঘ.)