২ অক্টোবর ২০২৩
প্রতীকী ছবি
আবু তালহা রায়হান : বন্যাপ্রবণ অঞ্চল সিলেট। বিভাগটিতে প্রতিবছরই বর্ষা মৌসুমে ছোটো-বড় বন্যা আঘাত হানে। এ যেন বর্ষা মৌসুমের নিশ্চিন্ত এক দুঃসংবাদ। বর্ষা শেষ না হতেই এবারেও দুঃসংবাদ পিছু ছাড়ছে না সিলেটের। চলতি (অক্টোবর) মাসের প্রথমার্ধের দিকে ভারী বৃষ্টির কারণে সিলেটে স্বল্প মেয়াদি বন্যা দেখা দিতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস গঠিত বিশেষজ্ঞ কমিটি।
রোববার (১ অক্টোবর) আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঢাকার ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রে ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কমিটির নিয়মিত বৈঠকে দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এ খবর জানায় তারা। অধিদপ্তরের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান মো. আজিজুর রহমান-এর সভাপতিত্বে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়, ‘সামগ্রিকভাবে দেশজুড়ে স্বাভাবিক বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি মাসে বঙ্গোপসাগরে ১ থেকে ৩টি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে। এরমধ্যে একটি নিম্নচাপ বা ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। এ মাসের মধ্যভাগে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশ থেকে পর্যায়ক্রমে বিদায় নিতে পারে ।’
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, ‘অক্টোবরে দেশের উত্তর ও মধ্যাঞ্চলে ২ থেকে ৪ দিন মাঝারি ধরনের বজ্রঝড় এবং সারাদেশে ৩ থেকে ৫ দিন হালকা বজ্রঝড় হতে পারে। দিন ও রাতের তাপমাত্রা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পেতে পারে। তবে দিন ও রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক অপেক্ষা কিছুটা বেশি থাকতে পারে। চলতি মাসে দেশের প্রধান নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বিরাজমান থাকতে পারে; তবে ভারী বৃষ্টিপাতজনিত কারণে দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল ও দক্ষিণ-পূর্ব পার্বত্য অববাহিকার কতিপয় স্থানে স্বল্প মেয়াদি বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে বলেও পূর্বাভাস প্রতিবেদনে জানানো হয়।’
উল্লেখ্য,গত মাসে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১ দশমিক ৭ ডিগ্রি ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ০ দশমিক ৯ ডিগ্রি বেশি ছিল। একই সঙ্গে গড় তাপমাত্রা ১ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস বেশি ছিল বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া বিভাগ।