২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩


সিলেট সীমান্ত দিয়ে চিনির পাশপাশি চলছে মাদকের চোরাচালান

শেয়ার করুন

খলিলুর রহমান: উত্তর সিলেটের বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে সম্প্রতি বহুল আলোচিত চিনি ও গরু চোরাচালানের পাশপাশি মাদকের চোরাচালানও অব্যাহত রয়েছে।

গত কয়েকদিন আগে সিলেট নগরে মাদক ও ইয়াবার একাধিক বৃহৎ চালান ধরা পড়ে। চালানগুলো সিলেটের সীমান্তবর্তী উপজেলা কানাইঘাট, জৈন্তাপুর, গোয়াইনঘাট ও কোম্পানীগঞ্জ হয়ে সিলেট নগরে আসে।

চিনি চোরাচালানী দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর পদক্ষেপে চোরাচালানীরা মোড় ঘুরিয়ে এখন মাদকসহ অন্যান্য পন্য যেমন কাপড় ভোগ্যপণ্য, কসমেটিক প্রভৃতি চোরাচালানীতে জড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে অভিযান চালিয়ে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত এলাকায় ৪০ বোতল ফেন্সিডিলসহ ৪ জনকে আটক করেছে সিআইডি পুলিশ।

আটকরা হলেন- জৈন্তাপুর উপজেলার পশ্চিম গৌরীশংকর গ্রামের মৃত আবুল কাসেমের ছেলে মো. জালাল আহমদ (৩৭), একই গ্রামের কবির আহমদের ছেলে সজীব আহমদ (১৯) ও রেজাউল করিমের ছেলে সুজন আহমদ (২৮) এবং ঘিলাতৈল গ্রামের আব্দুল মন্নানের ছেলে মো. জয়নাল আবেদীন (২৪)।

একই দিন মঙ্গলবার সিলেটের সীমান্তবর্তী কোম্পানীগঞ্জে ১৩ লক্ষ ২৬ হাজার টাকার ভারতীয় শাড়ি ও লেহেঙ্গাসহ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত ২জনকে আটক করা হয় । সকালে অভিযান চালিয়ে উপজেলার কাঁঠালবাড়ী থেকে তাদেরকে আটক করে কোম্পানীগঞ্জ থানা পুলিশ ।

আটকরা হলেন,কাঁঠালবাড়ী গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে রিয়াজ মিয়া (৩০) ও একই গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে মো.ইসমাইল মিয়া (২৮)। এ ঘটনায় কোম্পানীগঞ্জ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।

অভিযোগ পাওয়া গেছে সীমান্ত উপজেলাগুলোতে রয়েছে বিভিন্ন পেশার পরিচয়ে লাইনম্যান সিন্ডিকেট। লাইনম্যানরাই সুযোগ করে দেয় রকমফের ভারতীয় পণ্য চোরাচালানের। অনেক সময় লাইনম্যানরা আকর্ষণীয় মহান পেশা ও দলীয় প্রভাব খাটিয়ে বা অন্যান্য উপায়ে সীমান্ত প্রহরী বিজিবি এবং থানা পুলিশকে ম্যানেজ করে চোরাইপণ্য পাচারে  চোরাচালানীদের সহযোগিতা করে। বিনিময়ে লাইনম্যানরা চোরাচালানীদের কাছ থেকে সাপতাহিক ও মাসিক বখরা আদায় করে থাকে।

এই বখরাখোর লাইনম্যান সিন্ডিকেটের মধ্যে সাংবাদিক নামধারী কিছু ব্যক্তিও রয়েছেন।

শেয়ার করুন