৫ সেপ্টেম্বর ২০২৩


মাদ্রসার সহ-সভাপতির মেয়ে ধর্ষণ: আলইসলাহ সদস্য গ্রেফতার

শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ সংবাদদাতা : হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় ধর্মের বাবা-মা পাতিয়ে একটি ‘সুন্নীয়া’ মাদ্রাসার সহ-সভাপতির মেয়ে ধর্ষণ ও অন্তঃসত্বা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনার মামলায় মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এ ঘটনায় মামলার পর অভিযুক্ত পরাজার সুন্নিয়া আশরাফ তালুকদার হাফিজিয়া মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মো. জাকির হোসেনকে (৩৯) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার ভোরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলা ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার পরাজার সুন্নিয়া আশরাফ তালুকদার হাফিজিয়া মাদ্রাসা নামে কথিত সুন্নী মসলকের একটি মাদ্রাসা রয়েছে। ওই মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেন (৩৯)। শিক্ষকতার পাশাপাশি আওয়ামী জোটভুক্ত রাজনৈতিক দল আঞ্জুমানে আলইসলাহ’র সদস্যও।

মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সদস্যসচিব এক কিশোরীর ভাই এবং কিশোরীর বাবা কমিটির সহ-সভাপতি। সেই সুবাদে সহ-সভাপতি পরিবারের সঙ্গে সুসম্পর্ক গড়ে ওঠে প্রধান শিক্ষক জাকির হোসেনের । তাই ভুক্তভোগীর বাড়িতে আসা-যাওয়া ছিলজাকিরের। একপর্যায়ে জাকির হোসেন কিশোরীর মা-বাবার সঙ্গে ‘ধর্মের বাবা-মা’ বলে সম্পর্ক পাতান। পারিবারিক ঘনিষ্ঠতার একপর্যায়ে কিশোরীকে ধর্ষণ করেন শিক্ষক জাকির।

কিশোরীর বড় ভাই বলেন, স্ত্রী ও ৪ সন্তান থাকা সত্ত্বেও ছোট বোনকে বিয়ের জন্য প্রস্তাব দেন জাকির। পারিবারিকভাবে সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা হয়। পরে জাকির কৌশলে কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। একপর্যায়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পলে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে ওই কিশোরী। এ ঘটনায় শনিবার রাতে চুনারুঘাট থানায় কিশোরী ধর্ষণের অভিযোগে জাকিরের বিরুদ্ধে মামলা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন জানান, মামলার পর অভিযুক্ত জাকির হোসেনকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জাকির হোসেন কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কের কথা স্বীকার করলেও ধর্ষণের কথা অস্বীকার করেছেন।

শেয়ার করুন