১৫ জুলাই ২০২৩
শাহ্ মাশুক নাঈম, দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বিভিন্ন রাস্তাঘাট ও অবকাঠামোর উন্নয়ন হলেও এখনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনী উপজেলা লক্ষীপুর ইউনিয়নের পশ্চিমবাংলা বাজার থেকে রাবারড্যামের ৩ কিলোমিটার রাস্তায়। সম্পূর্ণ রাস্তায় কাদা জমে থাকে। রাস্তাটি বছরের পর বছর ধরে সংস্কারকাজ হয় না। ফলে রাস্তায় বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিনের এ দুরবস্থার কারণে এলাকাবাসী, শিক্ষার্থী, শিশু-বৃদ্ধসহ হাজার হাজার পথচারী পড়ছে সীমাহীন দুর্ভোগে।
সরেজমিন দেখা যায়, জনসাধারণের চলাচলে জন্য গ্রামীণ এ রাস্তাটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি পশ্চিমবাংলা বাজার থেকে রাবারড্যাম হয়ে উপজলো সদরের গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার সাথে সংযোগ স্থাপন করেছে। এ রাস্তাটি দীর্ঘ দিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও স্থানীয় জনপ্রতিনিধি কিংবা সংশ্লিষ্ট কেউই কার্যকরী উদ্যোগ নেয়নি। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলে এ রাস্তায় মারাত্মক কাদার সৃষ্টি হয়ে যানবাহন চলাচলে অনুপোযোগী হয়ে পড়ে। এমনকি খালি পায়ে হেঁটে চলাও কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুম এলেই ভোগান্তি যেন আরো বেড়ে যায় কয়েক গুণ।
স্হানীয়রা জানান, অবহেলিত কর্দমাক্ত রাস্তায় সামন্য বৃষ্টি হলেই হাঁটু সমান কাদা ও বড়-বড় গর্ত হয়। আর এ এসব গর্তে জমে থাকে বৃষ্টির পানি। তখন যানবাহন চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ে। তবুও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন ২৭ টি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।
সংবাদ কর্মী আব্দুস ছালাম জানান, কর্দমাক্ত রাস্তার পাশেই আমার বাড়ি। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিদিনই ছোট-ছোট দূর্টঘনা ঘটছে। অতিদ্রুত এ রাস্তা সংস্করণ না করলে ঘটে যেতে পারে বড় কোনো দূর্ঘটনা।
লক্ষীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক জহিরুল ইসলাম বলেন, কয়েকদিন ধরে বৃষ্টির জন্য রাস্তাটি মেরামত করা সম্ভব হচ্ছেনা। বৃষ্টি কমে গেলেই কর্দমাক্ত রাস্তাটি বালি ও পাথর দিয়ে মেরামত করে দেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আরিফ মুর্শেদ মিশু জানতে চাইলে বলেন, এই প্রথম শুনলাম এই কর্দমাক্ত রাস্তার কথা। খবর নিয়ে জরুরি ভিত্তিতে সংস্করের উদ্যোগ নেয়া হবে।