২২ জুন ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : সদ্য সমাপ্ত সিসিক নির্বাচনে মেয়ল পদে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে ক্ষমতাশীন দল আওয়ামীলীগ। আর মেয়র পদে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৪২ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২২টি ওয়ার্ডে আওয়ামীলীগ সমর্থিত, ৪ টি ওয়ার্ডে জামায়াত সমর্থিত, ৮টি ওয়ার্ডে বিএনপির আজীবন বহিষ্কৃত এবং ৮টি ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।
সিলেট সিটিতে গতবার ২৭টি ওয়ার্ড ছিল। এবার আরও ১৫টি নতুনভাবে যুক্ত হয়ে ওয়ার্ড বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২। কাউন্সিলর পদে নির্বাচিতদের মধ্যে গত নির্বাচনে বিজয়ী ২০ জন আছেন। ৪২টি ওয়ার্ডের নির্বাচিতদের মধ্যে আওয়ামী লীগপন্থী আছেন ২২ জন।
আওয়ামীলীগ
২ নম্বর ওয়ার্ডে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন বিক্রম কর সম্রাট। তিনি জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য।
৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আবুল কালাম আজাদ।
৪ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন সাবেক যুবলীগের কর্মী শেখ তোফায়েল আহমেদ।
৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি জগদীশ চন্দ্র দাশ।
৯ নম্বর ওয়ার্ডে টানা পঞ্চমবারের মতো বিজয়ী হয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. মখলিছুর রহমান।
১০ নম্বর ওয়ার্ডে টানা দ্বিতীয়বারের মতো জয় পেয়েছেন ছাত্রলীগের সাবেক নেতা তারেক উদ্দিন।
১১ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন সাবেক কাউন্সিলর আবদুর রকিব। তিনি কৃষক লীগের সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক।
১২ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. সিকন্দর আলী। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
১৩ নম্বর ওয়ার্ডে টানা ষষ্ঠবারের মতো নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য শান্তনু দত্ত।
১৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মো. ছয়ফুল আমিন। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
১৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর রাশেদ আহমদ। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
১৯ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর এস এম শওকত আমীন। তিনি আওয়ামীপন্থী হিসেবে পরিচিত।
২০ নম্বর ওয়ার্ডে টানা পঞ্চমবারের মতো জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আজাদুর রহমান আজাদ। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক।
২২ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. ফজলে রাব্বি চৌধুরী।
২৩ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর মোস্তাক আহমেদ। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
২৫ নম্বরে জয় পেয়েছেন তাকবির ইসলাম। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
২৬ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর ও মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য মোহাম্মদ তৌফিক বকস।
২৮ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন রায়হান হোসেন। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
৩২ নম্বর ওয়ার্ডে নির্বাচিত হয়েছেন সিলেট সরকারি কলেজের ছাত্রলীগ নেতা রুহেল আহমদন।
৩৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম।
৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি হিরন মাহমুদ।
৩৮ নম্বর ওয়ার্ডে জিতেছেন হেলাল হাজি। তিনি আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত।
জামায়াত
জামায়াতের নেতা হিসেবে পরিচিত যে চার জন নির্বাচিত হয়েছেন তারা হলেন- ৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পান সায়ীদ মো. আবদুল্লাহ, ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে তৃতীয়বারের মতো বিজয়ী হয়েছেন বর্তমান কাউন্সিলর আবদুল মুহিত, ২৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন আবদুল জলিল ও ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয় পেয়েছেন রিয়াজ মিয়া।
বিএনপির বহিষ্কৃত
বর্তমান সরকার ও নির্বাচন কমিশনের অধীনে কোন নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দলের যারা সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন তাদের আজীবনের জন্য বহিষ্কার করে বিএনপি। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ায় এক মেয়র প্রার্থী, ৪ জন সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থীসহ ৩৮ জন কাউন্সিলর প্রার্থীকে বহিষ্কার করে বিএনপি। নির্বাচিত ৮ সাধারণ কাউন্সিলরের মধ্যে ৫ জন বর্তমান কাউন্সিলর।
তারা হলেন- ১ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী (ঝুড়ি প্রতীক ), ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম (লাটিম প্রতীক), ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিম (ঠেলাগাড়ি প্রতীক), ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর এবি এম জিল্লুর রহমান (মিষ্টি কুমড়া), ২১ নম্বর ওয়ার্ডে বর্তমান কাউন্সিলর আব্দুল রকিব তুহিন (লাটিম প্রতীক), ২৪ নম্বর ওয়ার্ডে হুমায়ুন কবির সুহিন (ট্রাক্টর প্রতীক), ৩৩ নম্বর ওয়ার্ডে দেলোয়ার হোসেন নাদিম (টিফিন ক্যারিয়ার), ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে আলতাফ হোসেন সুমন (রেডিও প্রতীক)।
এছাড়াও অন্যান্য ৮টি ওয়ার্ডে স্বতন্ত্র কাউন্সিলররা বিজয়ী হয়েছেন।