৯ জুন ২০২৩
ডেস্ক রিপোর্ট : উচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের মেয়র পদপ্রার্থী মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা। আপিলে প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ায় সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করতে যাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা আটজনে দাঁড়াল।
মেয়র প্রার্থী মোশতাক আহমেদ রউফ মোস্তফা নিজেই বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, উচ্চ আদালত আমার মনোনয়নপত্র বৈধ বলে রায় প্রদান করেছেন। ফলে নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আমার আর কোনো বাধা নেই। আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠেয় সিসিক নির্বাচনে আমি একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলাম। ২৫ মে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইকালে আয়কর রিটার্ন জমা না দেওয়ার কারণে আমার মনোনয়নপত্র অবৈধ ঘোষণা করা হয়। পরে ওই দিনই আমি কর অফিসে যোগাযোগ করে আয়কর রিটার্নের জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছিলাম। এরপর রিটার্ন জমা দিয়ে ২৮ মে কাগজটি নিয়ে নির্বাচন কমিশন অফিসে যাই এবং সেখান থেকে বিভাগীয় কমিশনার বরাবর আপিল জমা দেই। সে সময় আমাকে বলা হয় ৩০ মে আপিল শুনানি হবে। কিন্তু বিভাগীয় কমিশনার ওইদিন আমার আপিলটি খারিজ করে দেন।
পরবর্তীতে আইনজীবীর মাধ্যমে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, গত ৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট ডিভিশনের বিচারপতি কামরুল কাদের ও মো. শওকত আলী চৌধুরীর যৌথ বেঞ্চ আমার মনোনয়নপত্রটি বৈধ বলে রায় প্রদান করেন। বিচারপতিগণ গত ২৮ মে বিভাগীয় কমিশনার কর্তৃক আপিল খারিজ করাকে সম্পূর্ণভাবে অবৈধ বলে উল্লেখ করেন। সেই সঙ্গে আদালত নির্বাচন কমিশনকে অনতিবিলম্বে প্রতীক বরাদ্দের নির্দেশ দিয়েছেন।
প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার বিষয়ে সিলেট সিটি নির্বাচন উপলক্ষে গঠিত মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা সৈয়দ কামাল হোসেন বলেন, মোশতাক আহমেদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করে আদালতের রায়ের সার্টিফাই কপি পেয়েছি। আদালতের আদেশের মূল কপি পেলেই এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উল্লেখ্য, মোশতাক আহমেদ ছাড়াও সিলেট সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী অন্য সাতজন হলেন- আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরী, জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম বাবুল, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী হাফেজ মাওলানা মাহমুদুল হাসান, জাকের পার্টির মো. জহিরুল আলম, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আবদুল হানিফ কুটু, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ছালাহ উদ্দিন রিমন এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. শাহজাহান মিয়া।