১৯ মে ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সিলেট সিটি কর্পোরেশনের (সিসিক) টানা দুইবারের নির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী। আসন্ন সিকি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন কি না, এ নিয়ে ধূম্রজাল অনেকটা কেটে উঠতে শুরু করেছে । নির্বচনে অংশ নেবেন কি না এ ব্যাপারে ২০ মে সমাবেশ করে বলবেন জানালেও কৌশলী এ মেয়র এর আগে থেকেই আকার ইঙ্গিতে এবং নিজদল এবং দলের কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতাদের অনমনীয় অবস্থানে নির্বাচন নিয়ে অনেকটা নেতিবাচক অবস্থানের দিকে ধাবিত হচ্ছেন।
বিশেষ করে শুক্রবার সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি আয়োজিত পথসমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে নেতবিাচক অবস্থানের দিকে তাঁর ধাবিত হওয়া আলামত সুস্পষ্ট হয়ে ওঠেছে। এর আগেও তিনি বিভিন্ন বক্তব্যে ও গণমাধ্যম কর্মীদের একাধিবার প্রশ্নের জবাবে দলের অবস্থান ও বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকারের অধীন নির্বাচনের নিরপেক্ষতা এবং সিসিক নির্বাচনে ইভিএম ভোটের স্বচ্ছতা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন।
বিশেষ করে গত বৃহস্পতিবার মহানগর বিএনপি নেতা ও টানা চারবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদীর আসন্ন নির্বাচন বর্জনের ঘোষনায় মেয়র আরিফ নেতিবাচক দিকে আরো প্রভাবিত হয়ে ওঠেছেন।
তাই একদিনের ব্যবধানে শুক্রবার বিকেলে সিলেটের কোর্টপয়েন্টে জেলা ও মহানগর বিএনপির পথসমাবেশে দেওয়া বক্তব্যে মেয়র আরিফ তার নেতিবাচক অবস্থানের বিষয়টি অনেকটা খোলাসা করে দিয়েছেন।
বক্তব্যে সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেছেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া আর কোন সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে না। এই সরকারের আমলে কোন নির্বাচন নয় ।
এর আগে পুলিশের বাধায় সিলেট রেজিস্ট্রারি মাঠে সমাবেশ করতে পারেনি বিএনপি। বাঁধার মুখে বিএনপি নেতারা স্থান পরিবর্তন করে নগরের কোর্ট পয়েন্টে পথসমাবেশ করেন।
সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. সাখাওয়াত হাসান জীবন।
সমাবেশে জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট মহানগর বিএনপির সভাপতি নাসিম হোসাইন, সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী ও সিলেট মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরীসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।