১৬ মে ২০২৩
ডেস্ক রিপোর্ট : আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের আগেই ভেঙে পড়লো বাস টার্মিনাল ভবনে লাগানো একটি গ্লাস । সিলেট সিটি করপোরেশন দেশের সর্বাধুনিক সুবিধা সম্বলিত ও নান্দনিক নির্মাণশৈলীতে ‘কদমতলী বাস টার্মিনাল’ নির্মাণ করে। প্রায় আট একর ভূমিতে এ টার্মিনাল নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি টাকা। সরকার ও বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে মিউনিসিপ্যাল গভর্নমেন্ট সার্ভিস প্রজেক্ট-এমজিএসপি প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করে। মঙ্গবার বিকালের দিকে হালকা বাতাসেই ভেঙে পড়লো বাস টার্মিনাল ভবনে লাগানো একটি থাই গ্লাস। এ ঘটনায় টার্মিনালে আগত যাত্রীদের মাঝে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মঙ্গলবার বিকাল ৪টা থেকে সিলেটে ঝড়-বৃষ্টি হয়। এর সঙ্গে শুরু হয় দমকা হাওয়া। বিকাল আনুমানিক প্রায় টার দিকে বাতাসের ধাক্কায় সিলেট কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের নবনির্মিত ভবনের যাত্রীদের বসার স্থানের কক্ষের একটি দেওয়ালে লাগানো থাই গ্লাস ঝন ঝন করে ভেঙে পড়ে। গ্লাস ভেঙে পড়ছে দেখে এর নিচে থাকা তিনজন দৌঁড়ে প্রাণে রক্ষা পান। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
টার্মিনালে অবস্থান করা পরিবহন নেতাদেরা বলেন, প্রথম থেকেই বাতাস শুরু হলে টার্মিনাল ভবনে লাগানো সকল থাই গ্লাস কাঁপতে থাকে, যেন মনে হয় এইমাত্র সকল গ্লাস একসঙ্গে ভেঙে পড়বে। এসব গ্লাসে সম্ভবত নাট-বল্টু পর্যাপ্ত লাগানো হয়নি। আর গ্লাসগুলো কেমন আলগা করে লাগানো হয়েছে। ঝড়-তোফানের দিনে এসব গ্লাস ভেঙে পড়ে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।
সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বদরুল হক বলেন- বিষয়টি এই মুহর্তে জানলাম। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানাচ্ছি। বিষয়টি সত্যিই এমন হলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উলেখ্য, গত ১৫ জানুয়ারি টার্মিনালটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়। এরপর থেকে একের পর এক বিপদ গনিয়ে আসছে বাস টার্মিনালের দিকে। পরীক্ষামূলকভাবে চালু’র পর টার্মিনালের ছাদের একটি অংশে ফাটল দেখা যায়। এখনও হয়নি বাস টার্মিনালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন। পরীক্ষামূলক উদ্বোধনের সময় বলা হয়েছিলো- সিলেটের কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালটি অত্যন্ত আধুনিক করে নির্মাণ করা হয়েছে বা হচ্ছে। এটি এশিয়ার মধ্যে অন্যতম একটি দৃষ্টিনন্দন বাস টার্মিনাল।