৮ মে ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেট সিটি কর্পোরেশনকে নগর থেকে মহানগরে রূপান্তরিত করার প্রায় দেড় বছর পেরিয়ে গেলেও এখনও পর্যন্ত নগরায়নের কোন সুবিধা পায়নি নতুন সংযুক্ত হওয়া ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। ২০২১ সালের ৩১ আগস্ট বাংলাদেশ গেজেট এস, আর, ও নং-২৮৮-আইন/২০২১ দ্বারা সিলেট সদর উপজেলার টুকেরবাজার, খাদিমনগর, খাদিমপাড়া ও টুলটিকর এবং দক্ষিন সুরমা উপজেলার কুচাই, বরইকান্দি ও তেতলী ইউনিয়নকে অন্তর্ভূক্ত করে সীমানা বৃদ্ধি করে সিলেট সিটি কর্পোরেশন। ২৭ টি ওয়ার্ডের সাথে আরো ১৫টি ওয়ার্ড সংযুক্ত করে ৪২টি ওয়ার্ড করা হয়।
সিলেট নগরী থেকে মহানগরীতে রূপান্তরিত করার পর প্রথম দিকে সংযুক্ত ১৫টি ওয়ার্ডের ৪টি আঞ্চলিক অফিস স্থাপন করে দিয়ে দায় সারে নগর কর্তৃপক্ষ। সংযুক্ত ওয়ার্ড গুলোর ভুক্তভোগীরা বলছেন, বর্ধিত এলাকায়, পানিয় সংকট, ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা, রাস্তাঘাটের সংস্কারের কোনো দেখা নেই। পাচ্ছেননা ন্যুনতম নাগরিক সুযোগ সুবিধাও।
এদিকে, ইউনিয়ন থেকে নগরের প্রবেশের পর থেকে ১৫টি ওয়ার্ডের ৪ লাখ মানুষ পড়েছে মহাবিপাকে। স্বাভাবিক নিয়মে বন্ধ হয়েছে উপজেলা কিংবা ইউনিয়নের সেবা। পাচ্ছেন না ন্যুনতম নাগরিক সুযোগ সুবিধাও। এক্ষেত্রে সিসিকের সেবা দেয়ার কথা থাকলেও তারা নির্বিকার। এমন বাস্তবতায় অবহেলা আর দুর্ভোগে চলছে বর্ধিত এলাকার মানুষের নগরজীবন। নগর থেকে মহা নগরীতে রূপান্তরিত করার পরই এসব এলাকায় ৪টি আঞ্চলিক অফিস স্থাপন করা হয়েছে। অফিস গুলোতে একজন করে আঞ্চলিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাও নিয়োগ দেয়া হয়। এসব আঞ্চলিক অফিস থেকে সিটি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত নাগরিক সেবা প্রদানের কথা থাকলেও কাজের কোনো বালাই নেই।
সিসিক মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ঢাকার বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে বর্ধিত এলাকার চাহিদা নিরূপণ করে সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকার প্রজেক্ট ডিপিপির মাধ্যমে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। এগুলোকে সুইস করে তারা একটা প্যাকেজ করেছেন। সেটা পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে যাচাইবাছাই হওয়ার পর এপ্রোভ হয়েছে। এখন সেই প্যাকেজ চাহিদাপত্র একনেকে যাওয়ার পথে। সিটি কর্পোরেশনে ওয়ার্ড সংযুক্ত হওয়ায় বেড়েছে নাগরিক সমস্যা। সমস্যা নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি সাধারণ জনগণের।