১৭ এপ্রিল ২০২৩
মোঃ ময়নুল হক : বিএনপি’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক, সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি, সিলেট-২ (বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর) আসনের সাবেক নন্দিন সংসদ সদস্য জননেতা এম ইলিয়াস আলী গুমের ১১ বছর পেরিয়ে গেলও তার গুমের রহস্য আজও উদঘাটিত হয়নি। শুধু এম. ইলিয়াস আলী নয়, দেশের অন্যান্য গুম বা নিখোঁজের ঘটনাগুলোর প্রায় কোনটিরই কুল কিনারা হয়নি।
জনগণের নেতা জননেতা এম. ইলিয়াস আলী ফেরার অপেক্ষায় সিলেটের কোটি জনতা। অপেক্ষার প্রহর গুণছেন প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলীর বৃদ্ধ মা সূর্যবান বিবি, শিশু কন্যা সাইয়ারা নাওয়াল পথ চেয়ে আছে। কখন আসবেন পিতা, জেগে উঠবে মানুষ, প্রাণ ফিরে পাবে প্রিয় বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরের জনপদ- সেই প্রতীক্ষায় অন্তহীন বেদনাকাতর মানুষ।
২০১২ সালের ১৭ই এপ্রিল বর্তমান শাসকগোষ্ঠির রোষানলে পড়েন সিলেটের মাটি ও মানুষের নেতা এম. ইলিয়াস আলী। ঢাকার বনানী থেকে গাড়ী চালক আনছার আলী সহ বর্তমান সরকারের লেলিয়ে দেয়া বাহিনী তাঁকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়। সেই থেকে গুম নামক কারাগারে বন্দি প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী। জনগণের প্রতি অগাদ ভালবাসা, কর্মীদের অভিভাবক হয়ে মেঘদূতের মত ছায়া দিয়েছিলেন। আজ তাঁর অনুপস্থিতিতে কাঁদছে মানুষ, বিষন্ন জনপদ আর অভিভাবকহীন হয়ে পড়েছে সিলেট বিভাগ। প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী ফিরবেন- এমন আশায় বুক বেধে আছে সবাই।
প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী গুমের দুই দিন পর তাঁর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। তিনি সে সময় অভিযোগ করেন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা অবৈধভাবে তার স্বামীকে আটক করে রেখেছে, তখন দলের নেতারাও একই অভিযোগ করেছিলেন। নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে আদালতে হাজির করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি হাইকোর্ট নির্দেশ চেয়েছিলেন তিনি।
আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে ১০ দিনের মধ্যে ব্যাখ্যা চেয়ে রুল জারি করে। যাই হোক ১১ বছর পেরিয়ে গেছে সরকার রিট আবেদনের শুনানির বিষয়ে কোন উদ্যোগ না নেওয়ায় রুলের শুনানি আজও হয়নি। ফলে অমীমাংসিত রয়ে গেছে আলোচিত এম. ইলিয়াস আলী গুমের বিষয়টি। এর ওপর কোন রায় দেওয়া হয়নি।
ছাত্র রাজনীতি দিয়ে নেতৃত্বের সূচনা হলেও প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী পর্যায়ক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন বিএনপির মতো একটি বিশাল দলের। এম.পি নির্বাচিত হয়ে সংসদে কথা বলেছেন নিজের জন্মস্থান বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানী নগরের মাটি ও মানুষের পক্ষে। চির অবহেলিত উন্নয়ন বঞ্চিত বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগরের উন্নয়নের রুল মডেল উপহার দিয়েছেন।
এম. ইলিয়াস আলী গুমের ঘটনায় সে সময় লাগাতার হরতাল সহ রাজপথের আন্দোলনে কার্যত অচল হয়ে পড়ে দেশ। নিজ উপজেলা বিশ্বনাথে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন দলীয় নেতাকর্মী সহ আপমর জনতা। আন্দোলনরত নেতাকর্মীদের উপর পুলিশ গুলি চালালে ৩ জন নিহত এবং শতাধিক নেতাকর্মী আহত হন। তাছাড়া প্রিয় নেতাকে মুক্ত করতে সারা দেশে প্রাণ দিয়েছেন ৭ জন যুবক।
আহত, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন হাজারো জনতা। মিথ্যা মামলা মাথায় নিয়ে ফেরারী জীবন কাটিয়ে ছিলেন লক্ষাধিক নেতাকর্মী সহ আপমর জনতা। এখনও তাদেরকে কোর্টে হাজিরা দিতে হচ্ছে এসব মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন মামলার।
এম. ইলিয়াস আলী একটি নাম নয় একটি ইতিহাস। প্রাচ্যের অক্সফোর্ড খ্যাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালীন সময়েই জড়িয়ে পড়েন ছাত্র রাজনীতিতে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের অনুসারী হয়ে ছাত্রদলের রাজনীতিতে নামেন। তখন ক্ষমতায় স্বৈরশাসক এরশাদ। জনগণের মুক্তিলাভে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তুমুল আন্দোলন গড়ে তোলেন। ওই আন্দোলনে কেপে উঠে দেশ, মুক্তিপায় জাতি। ’৯০ এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের মুকুটহীন সম্রাট খ্যাতি অর্জন করেন এম ইলিয়াস আলী। অদম্য সাহসী এম. ইলিয়াস আলী এ কারণে ছাত্র জামানায় হয়ে উঠেন রাজনীতির সিংহপুরুষ।
পরবর্তীতে ১৯৯২ সালে তিনি ছত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। এরপর থেকে দেশের ইতিহাসে ছাত্রদলের নতুন অধ্যায় রচনা শুরু হয়। ছাত্র অধিকার আদায়ে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
জননেতা এম. ইলিয়াস আলী ঢাকার রাজপথ কাপালেও তার মন পড়ে থাকে প্রিয় জন্মস্থান সিলেটে। ছাত্ররাজনীতি থেকেই মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন নিয়ে ভাবতে শুরু করেন। সেই স্বপ্ন নিয়ে ফিরে আসেন এলাকায়। তাকে ঘিরে নতুন স্বপ্ন দেখতে শুরু করে সিলেট-২ আসনের মানুষ। মানুষের ডাকে, মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে ছুটেছেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। রোদ-বৃষ্টি, খরা-বন্যা উপেক্ষা করে ছুটেছেন তিনি। এতে করে স্বল্প সময়েই তিনি সিলেটবাসীর প্রিয় নেতায় পরিণত হন। জননেতা এর ইলিয়াস আলীর হাত ধরেই সিলেট-২ আসনের প্রতিটি এলাকা উন্নত জনপদে পরিণত হয়।
১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিজ এলাকা থেকে এম ইলিয়াস আলী এমপি নির্বাচিত হন। তাঁকে আশাহত করেনি এলাকার মানুষ। প্রিয় মানুষ এম ইলিয়াস আলীকে বিশ্বনাথ, বালাগঞ্জ ও ওসমানীনগরের আপামর জনতা নিজেদের প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত করে। তাঁকে জাতীয় সংসদে পাঠান। দুর্গম এলাকায় মানুষ পায় উন্নতজীবন যাত্রার দেখা। শিক্ষার আলোয় আলোকিত হয় গোটা জনপদ। স্বস্তি এবং শাস্তির সুবাতাস বয়ে যায় সুরমা-কুশিয়ারা বিধৌত তিন উপজেলায়। এম. ইলিয়াস আলী বিশ্বাস করতেন পিছিয়ে পড়া জনগণকে জাগিয়ে তোলা ছাড়া দেশকে উন্নত জনপদ করা সম্ভব নয়। এ কারণে গ্রামে গ্রামে যোগাযোগের দুয়ার খুলে দেন তিনি।
বিশ্বনাথ-বালাগঞ্জ-ওসমানীনগর হচ্ছে প্রবাসী অধ্যুষিত এলাকা। তার স্বপ্ন ছিল সব আধুনিকতায় পরিপূর্ণ থাকবে এই জনপদ এম. ইলিয়াস আলী সেই অসাধ্য সাধন করতে পেরেছিলেন বলে আজো প্রবাসীদের মনের মণিকোঠায় তিনি প্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিত। কেননা প্রবাসীরা দেশে আসলে সিলেট শহরে থাকার প্রয়োজন পড়ে না বাড়ী থেকে সব কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে।
এলাকার উন্নয়নের প্রাণ পুরুষ, রূপকার এবং বাস্তবায়নকারী এম. ইলিয়াস আলী সিলেটবাসীর প্রাণের দাবী টিপাই মুখ বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের বিরুদ্ধে ছিলেন এক প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর। সবাই যখন প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছিলেন না, তখন তার নেতৃত্বে সিলেটে গড়ে উঠে টিপাইমুখ বাঁধ বিরোধী দুর্বার আন্দোলন। আর এই আন্দোলনে শরীক হন সিলেটের সব শ্রেণীপেশার মানুষ। ২০১২ সালে তার আহবানে সিলেটের কোটি মানুষ টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন হরতাল পালন করেন। তাঁর আহবানে সিলেটের আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্মরণকালের বৃহৎ সমাবেশে হয়। আর সেই সমাবেশে ভাষণ দেন দেশনেত্রী, বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া। তার নেতৃত্বেই টিপাইমুখ অভিমুখে দেশের মানুষ ঐতিহাসিক লংমার্চ কর্মসূচি পালন করেন। সিলেটের কোটি মানুষের দাবি নিয়ে আন্দোলন করার কারণে সিলেটবাসীর প্রাণের নেতায় পরিণত হয়েছিলেন তিনি।
জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর রাজনৈতিক বিচক্ষণতা ও দুরদর্শিতার কারণে দেশের বৃহত্তর রাজনৈতিক দল বিএনপি’র কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন তিনি। দেশ মাতৃকার প্রশ্নের কখনো কারো সাথে আপোষ করেননি, সত্য এবং ন্যায়ের পথে সর্বদা সোচ্চার থেকে অন্যায়, অসততা এবং দূর্নীতির সাথে কখনোই আপোষ করেননি। যিনি গণতন্ত্র, ন্যায় বিচার, সুশাসন, দুর্নীতি মুক্ত একটি স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য লড়াই করেছেন। দেশের সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে শাসক শ্রেণির সকল প্রকার রক্ত চক্ষুকে উপেক্ষা করে নির্ভয়ে দেশের পক্ষে কথা বলেছেন। জনমত গড়ে তুলেছেন। তিনি সব সময় চেয়েছেন বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে একটি উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হোক, দেশ সত্যিকার অর্থে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত হোক, জনগণের মুক্তি হোক। তিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, অখণ্ড মানচিত্র ও গণতন্ত্রের জন্য জীবন বাজি রেখে কাজ করে গেছেন। তার জীবনের সমস্ত ভাবনা জুড়ে ছিল দেশ, দেশের মানুষ, গণতন্ত্র অর্থনৈতিক মুক্তি, ন্যায় বিচার ও সুশাসন।
সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে যে কয়জন সাহসী নেতা ও বুদ্ধিজীবী দেশকে গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরিয়ে আনতে সাহসী ভূমিকা রেখেছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন সিলেটের মাটি ও মানুষের নেতা এম. ইলিয়াস আলী। দেশ দুর্নীতিমুক্ত হবে, মানুষের বাক স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হবে, ন্যায্যতা ও ন্যায় বিচারের মানদন্ডে পরিচালিত হবে প্রিয় বাংলাদেশ, এমন হাজারো স্বপ্ন দেখতেন হিমালয়সম জনপ্রিয়নেতা এম. ইলিয়াস আলী। তিনি ছিলেন সূর্যের আলোয় আলোকিত একজন মানুষ। সেই আলোকে দেশবাসী আলোকিত হতো।
ওয়ান ইলেভেনের পরে যখন দেশে গণতন্ত্র গৃহবন্দি, মানুষ কথা বলতে পারে না, সেই সময় তিনি গণতন্ত্রের জন্য, মানুষের মুক্তির জন্য নির্ভয়ে কথা বলেছিলেন, জাতিকে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশ পাঠানোর ষড়যন্ত্র রুখতে তিনি হাইকোর্টে রিট করতে আইনজীবীদের সাহস যোগিয়েছিলেন, উদ্বুদ্ধ করেছিলেন এবং সফল হয়েছিলেন। যার সুফল শেখ হাসিনা এবং আওয়ামীলীগ ভোগ করছে এবং শাস্তি স্বরূপ প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে গুম নামক কারাগারে বন্দি করে রাখা হয়েছে।
প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলী সদা সত্য কথা বলতেন এবং সত্যের পথে কথা বলতে তিনি কখনোই কার্পণ্য করতেন না। সত্যের পক্ষে বলতে গিয়ে তিনি সময়ে সময়ে আলোচিত ও সমালেলাচিত হয়েছেন কিন্তু সত্য বলা থেকে পিছপা হননি। কিন্তু অন্যায় ও অসত্যের সাথে কোন দিন আপোষ করেননি। তিনি দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য যেটা সত্য মনে করতেন তা বলতেন দৃঢ়চিত্তে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, অখন্ডমানচিত্র ও গণতন্ত্র রক্ষায় তিনি ছিলেন অবিচল। তিনি জনমানুষের কল্যাণে কাজ করেছেন ভয়হীনভাবে। ব্যক্তিগত চাওয়া-পাওয়ার নয়, দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে কাজ করেছেন নিরলস ভাবে। দেশ মাতৃকার প্রশ্নে কখনো কারো সাথে আপোষ করেননি, সত্য এবং ন্যায়ের পথে তিনি সোচ্চার থেকেছেন, অবিচল থেকেছেন অন্যায়, অসততা এবং দুনীতির সাথে তিনি কখনোই আপোষ করেননি। এ ধরনের একজন স্পষ্টবাদী, সময়ের সাহসী সিংহপুরুষ বিএনপির সরকার বিরুধী আন্দোলনে হাড়ে হাড়ে অনুভব করছে। তার ফিরে আশার অন্তহীন প্রহর গুনছে সিলেট তথা দেশের আপমর জনতা।
স্বজন হারানোর বেদনা নিয়ে তার স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহায্যও চেয়েছিলেন। পিতাকে ফিরে পাবার আকুতি জানিয়ে আমেরিকার তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারী ক্লিনটনের কাছেও চিঠি দেয় সাইয়ারা নাওয়াল।
জননেতা এম. ইলিয়াস আলীকে জনতার মাঝে ফিরে আসতে হবে। তার অনুপস্থিতিতে সিলেট-২, বিশ্বনাথ-ওসমানীনগরের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন, তার সহ-ধর্মিনী বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেস্টা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ডেপুটি রেজিস্ট্রার তাহসিনা রুশদীর লুনা। তিনি এলাকায় দলীয় নেতাকর্মীদের মায়ের মমতা দিয়ে আগলে রেকেছেন, ঐক্যবদ্ধ রেখেছেন। সকল ধরনের সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। প্রতিনিয়ত এলাকায় অবস্থান করছেন, সর্বসাধারণের খোঁজ-খবর নিচ্ছেন। সিলেট তথা দেশবাসীর দোয়া কামনা করছেন প্রিয় নেতা এম. ইলিয়াস আলীকে ফিরে পাবার জন্য। আমীন।
(লেখক : রাজনীতিবিদ, কলামিষ্ট, একান্ত সচিব, এম. ইলিয়াস আলী।)