১৫ মার্চ ২০২৩
ডেস্ক রিপোর্ট: বুধবার (১৫ মার্চ) সরকার নিবন্ধিত সিলেটের প্রথম অনলাইন নিউজ পোর্টাল ‘আজকের সিলেট ডটকম’ ও হবিগঞ্জ থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক বিজয়ের প্রতিধ্বনি’ সহ বিভিন্ন পত্রিকায় ‘হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে ১০ সদস্যের অভিযোগ’ বিভিন্ন পত্রিকায় ভিন্ন ভিন্ন শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটি আমাদের দৃষ্টি গোচর হয়েছে । এ সংবাদ প্রকাশ করে পাঠক ও উর্ধতন প্রশাসনকে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে আমাদের মানহানি করেছে। উক্ত সংবাদে জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি এবং জেলা পরিষদের বিপুল ভোটে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী ও প্যানেল চেয়ারম্যান -০১ সৈয়দ মোঃ শামীম আনোয়ার নাম জড়িয়ে আমাদের নাম দিয়ে জ্বাল স্বাক্ষর দিয়ে স্হানীয় সরকার মন্ত্রী ও বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ পাঠানো হয় এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ বিভিন্ন পএিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়। তা আদৌও সত্য নয়। নিজের স্বার্থ হাসিল না করতে বিভিন্ন সংবাদ পত্রে মানহানিকর জন্য মিথ্যা বানোয়াট ভিওিহীন, কাল্পনিক ও উদ্দেশ্য প্রনোদিত। আমরা প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি ।
প্রকৃত ঘটনা হল – হবিগঞ্জ জেলা পরিষদ ১২ জন সদস্য মধ্যে নির্বাচিত ৫জন সদস্য মধ্যে ২ নং ওয়ার্ডে সদস্য শাম্মী আক্তার , ৪ নং ওয়ার্ডে সদস্য মোঃ জসিম উদ্দিন , ৫ নং ওয়ার্ডে সদস্য মোঃ আইয়ুব আলী , ৬ নং ওয়ার্ডে সদস্য মোঃ আব্দুল আজিজ , ৮ নং ওয়ার্ডে সদস্য সৈয়দ মোঃ শামীম আনোয়ার এর স্বাক্ষর ছাড়াই তথ্য গোপন করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী ও সৈয়দ মোঃ শামীম আনোয়ার সহ আমাদেরকে অবগত না করে ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয় স্হানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন সমবায় মাননীয় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম বরাবরে মিথ্যা অভিযোগ পাঠানো হয় । অভিযোগ পাঠানো লেখা গুলো অনলাইন নিউজ পোর্টাল সহ সংবাদ পত্রে প্রকাশ করে । জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরীকে স্হানীয় সরকারের পরিপত্র অনুযায়ী ০১ মাস (৩০ দিন) এর মধ্যে প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করতে হবে । এই বিষয়ে জেলা পরিষদের সকল সদস্যকে অবগত করা হয় । ২০২২ সালের ২৪ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) নবনির্মিত জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সকল সদস্য উপস্থিতিতে স্বতস্ফূর্ত ভাবে ঐক্যমতের ভিওিতে প্যানেল চেয়ারম্যান – সৈয়দ মোঃ শামীম আনোয়ারকে প্রথম (০১) প্যানেল চেয়ারম্যান করা হয় এবং তিনি ভোটের মাধ্যমে সাবেক প্যানেল চেয়ারম্যান – ০১ নির্বাচিত ছিলেন । এর মধ্যে আলাউর রাহমান শাহেদকে দ্বিতীয় (০২) প্যানেল চেয়ারম্যান নির্বাচিত করা হয় । উক্ত সভায় ভোটের মাধ্যমে শিরিন আক্তারকে মহিলা সদস্য হিসেবে নির্বাচিত করা হয় । যাহা নির্বাচিত প্যানেল চেয়ারম্যান হওয়ায় প্রতিহিংসা লিপ্ত জেলা পরিষদের সদস্য নূরুল আমীন । জেলা পরিষদের সকল সদস্যদের ঐক্যমত না হওয়ায় নির্বাচিত জেলা পরিষদের সদস্য নূরুল আমীন ওসমান সভা স্থল থেকে হঠাৎ চলে যায় । তার পর তিনি দীর্ঘ দিন প্রতিহিংসার ভুষি ভূত হয়ে অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত সদস্যদের জ্বাল স্বাক্ষর ব্যবহার করে বিভিন্ন স্থানে বিভ্রান্ত সৃষ্টি করে আমাদেরকে মানহানি করছে । আমরা জেলা পরিষদ নির্বাচিত ৫ জন সদস্য চেয়ারম্যান ডাঃ মুশফিক হোসেন চৌধুরী ও প্যানেল চেয়ারম্যান- ০১ সৈয়দ মোঃ শামীম আনোয়ার বিরুদ্ধে আমরা কোনো স্বাক্ষর করে অভিযোগ করি নাই । যে সব সংবাদ পএে অভিযোগ প্রকাশ করা হয়েছে , তার কোন ভিওি নেই । তার স্বার্থের হাসিল করার জন্য দীর্ঘ দিন ধরে আমাদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য ও আমাদের মানহানির উদ্দেশ্য এ ধরনের অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে পাঠানো ও বিভিন্ন সংবাদ পএে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে । আমরা আবারো প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি । প্রতিবাদকারী: – (০১)শাম্মী আক্তার , সদস্য ২ নং- ওয়ার্ড , (০২) মোঃ জসিম উদ্দিন , সদস্য ৪ নং – ওয়ার্ড , (০৩) মোঃ আইয়ুব আলী , সদস্য ৫ নং- ওয়ার্ড , (০৪) মোঃ আব্দুল আজিজ , সদস্য ৬ নং- ওয়ার্ড , (০৫)সৈয়দ মোঃ শামীম আনোয়ার , সদস্য ৮ নং- ওয়ার্ড , জেলা পরিষদ , হবিগঞ্জ ।
প্রতিবেদকের বক্তব্য : হবিগঞ্জ জেলা পরিষদের ১০ জন সদস্যে কর্তৃক স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী বরাবরে লিখিত অভিযোগের প্রতিলিপি এবং স্থানীয় সরকার মন্ত্রী অভিযোগটি পরীক্ষা করে প্রযোজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট সচিবকে নির্দেশ দেয়ার প্রেক্ষিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছিল। এখানে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন বক্তব্য ছিল না।