২৫ জানুয়ারি ২০২৩
ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীর মিরাবাজারে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনির ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্যসহ ছয় জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। মামলার আসামিরা হলেন- সিলেট সদর উপজেলার বাদাঘাট এলাকার রাবেয়া বেগম (৩১), তার ছেলে মুন্না আহমেদ (১৮), ওসমানীনগর উপজেলার কাশিকাপন গ্রামের মাসুদ আহমদ তালুকদার, জৈন্তাপুর উপজেলার ফেরিঘাট গ্রামের সুলতানা বেগম (২৪) ও নোয়াখালী জেলার বেগমগঞ্জ থানার বেপারিবাড়ি গ্রামের প্রিয়ামনি (১৮)। একই মামলায় শিল্প পুলিশ সদস্য বেলাল হোসেন সাগরকে (২৯)। তিনি বর্তমানে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
বুধবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার এসআই শামীম আহমদ বাদী হয়ে মানবপাচার আইনে মামলাটি দায়ের করেন। এরপর মামলায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে পুলিশ।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হুদা বিষয়ে নিশ্চিত করেন বলেন, স্থানীয়রা প্রথমে ডাকাত সন্দেহে চার যুবককে আটক করে গণপিটুনি দিলেও পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগেই কয়েকজন পালিয়ে গিয়েছিল। পরে একজনকে উদ্ধার করা হয় এবং ওই বাসা থেকে পাঁচ জনকে আটক করা হয়েছিল। পুলিশ সদস্যসহ অন্যরা বাসাতে অসামাজিক কাজের জন্য গিয়েছিল। পুলিশ সদস্যসহ ছয় জনের নামে মানবপাচার আইনে মামলা করা হয়। তাদের মধ্যে পাঁচ জনকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। অপরজন পুলিশের তত্ত্বাবধানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
উল্লেখ্য, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে সিলেট নগরের মিরাবাজার আগপাড়া মৌসুমি আবাসিক এলাকার প্রবাসী দুদু মিয়ার বাড়িতে স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ২/৩ জন নারী ও দুই যুবককে আটক করেছিল পুলিশ। এর আগে ওই এলাকায় ডাকাত দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়ে গিয়েছিল পুলিশ। পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগেই চার যুবককে ধরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল। তবে পুলিশ উপস্থিত হওয়ার আগেই অন্যরা পালিয়ে গেলেও এক যুবক আহত অবস্থায় সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন ওই ব্যক্তি সিলেট অঞ্চলের শিল্প পুলিশের সদস্য বেলাল হোসেন।