২৯ অক্টোবর ২০২৩
মধ্যনগর(সুনামগঞ্জ)প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলার সদর ইউনিয়নের উন্মুক্ত নদীতে মাছ ধরতে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ তুলে দশ গ্রামের মৎসজীবিরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
২৯অক্টোবর রোববার বিকেলে মধ্যনগর প্রেসক্লাবে এসংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে মৎসজীবিরা অভিযোগ তুলে বলেন- মধ্যনগর ইউনিযনের জগদীশপুর মৌজার ৫১১,১২,১৩,১৪ দাগের উদ্ধাখালী নদীতে আমরা বিগত চল্লিশ বছর ধরে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করছি।এপর্যন্ত কেহই বাঁধা দেয়নি।কারণ নদীটি উন্মক্ত।কিন্তু পার্শ্ববর্তী বিলের ইজারাদারা আমাদের মাছ ধরতে বাঁধা দিচ্ছে প্রায় ২০দিন যাবৎ।
ভুক্তভোগী জেলেদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন মৎসজীবি লিঠন দাস। বক্তব্যে তারা বলেন “আমরা সাক্ষারকারীরা মধ্যনগর উপজেলার উব্দাখালীর তৃতীয় পয়েন্টে উন্মুক্ত নদীতে মাছ ধরতে লিটন তালুকদার ও শাহজাহান নামের দুই ব্যাক্তি আমাদেরকে বাঁধা নিষেধ দেয়।মাছ ধরতে চাইলে তাদেরকে জমার টাকা দিতে হবে।না হয় মারধর ও মামলার ভয় দেখায়।গোড়াডুবা বিলের সাথে নাকি এই নদী ইজারা আনছে তারা।এবং নদীর মালিকানা দাবি করে নানানভাবে আমাদেরকে হয়রানি করছে।আমরা তাদের লিজের কাগজ দেখতে চাইলে তারা নানান তালবাহানা করে এবং আমরা অসহায় জেলেদেরকে অযথাই হয়রানী করছে।
তাদের বিলের স্বার্থ হাসিলের জন্য মিথ্যা কথা বলে আমাদেরকে ঠকিয়ে বৌ বাচ্চাদের উপবাস রাখছে।আমরা এর বিচার চেয়ে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।বিষয়টি সম্পুর্ন বানোয়াট।তাই সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তুলে ধরে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি।
নদীর পার্শ্ববর্তী গোড়াডুবা বিলের ইজারাদার লিটন তালুকদার বলেন, বিলের ইজারার স্ক্যাচম্যাপ অনুযায়ী আমি এই নদীর মালিক।পূর্বের ইজারাদারগণ স্ক্যাচম্যাপ না বুঝার কারণে এই নদীর ইজারাদার দাবি করে নি।এর বেশী জানতে চাইলে এসিল্যান্ডের সাথে কথা বলুন।
মধ্যনগরর উপজেলার অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা সহকারী কমিশনার ভূমি মোঃঅলিদুজ্জামান প্রতিনিধিকে বলেন বিষয়টি জানা ছিল না, তাবে খোঁজ নিয়ে জানাবো।