২৯ জানুয়ারি ২০১৮

সৈয়দ রাসেল আহমদ:: এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলার সময় প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে এমন প্রমাণ পাওয়া গেলে সেই পরীক্ষা বাতিল করা হবে বলে,এমনকি প্রয়োজনে ১০ বার একই পরিক্ষা নেয়া হবে এমনটাই জানিয়েছেন শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন।বাহ কি আজব কথা! শিক্ষা সচিব মহোদয় আপনিও ত নিশ্চয় এমন পরিক্ষা একসময় দিয়েছিলেন,একবার অতীত মনে করে দেখেন,একটা পরিক্ষার জন্য আপনি একসময় কত চাপ নিয়েছেন নিশ্চয় ভুলে যাননি?।আপনার সময় যদি এমন হত তাহলে আপনার কেমন লাগত?।আমরা বুঝতে পারি একেরপর এক প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় আপনারাও অস্বস্তিবোধ করছেন।তাই বলে কি আপনাদের ব্যর্থতা কোমলমতী শিক্ষার্থীদের ওপর চাপিয়ে দিবেন? আপনারা বিকল্প রাস্তা খুঁজে বের করতে পারেন।প্রশ্নপত্র তো আর বহিরাগত কেউ এসে ফাঁস করতে পারবেনা,যারা এসব কাজ করে তারা আপনাদের চেনাজানা কারো মধ্যে হতেই পারে।তারা হয়ত আপনাদের চোখে ধুলা দিয়ে দিনের পর দিন এমন অনৈতিক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছে,অথচ আপনারা টের-ই পাচ্ছেন না। হয়ত কেউ পাচ্ছেন কিন্তু চাকুরীর ভয়ে মুখ খুলছেন না,আবার কেউ হয়ত এর ফায়দা নিচ্ছেন তাই দেখেও না দেখার ভান করছেন।তবে আপনারা যাই করেন শিক্ষার্থীদের একটু শান্তিতে থাকতে দেন। এত কম বয়সে এত বড় বোঁঝা তাদের কাঁধে তুলে দেয়া কি ঠিক হবে?
আপনাদের কাছে সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা আছে,আপনারা নিতেই পারেন,কিন্তু একবার কি শিক্ষার্থীদের অনুভূতি জানতে চেয়েছেন। আপনারা দশ বার পরিক্ষা নিতে চাইলে তারা দশ বার পরিক্ষা দিতে বাধ্য।কিন্তু এ দশবার পরিক্ষা দিতে গিয়ে একজন শিক্ষার্থী কতটুকু মানসিক সমস্যায় ভুগবে তা কি ভেবে দেখেছেন?।
তাই ফেসবুক টুইটার বন্ধ না করে দশ বার পরীক্ষা নেয়ার চিন্তা না করে,যারা ‘প্রশ্ন ফাঁস ‘সিন্ডিকেটের সাথে জড়িত তাদের ডালপালা গুড়িয়ে দিন,দেখবেন সব সমস্যা সমাধান হয়ে যাবে,প্রশ্ন ফাঁস সিন্ডিকেটদের বাহিরে খুঁজতে হবেনা,ঘরের ভিতর ভালো করে খুঁজেন পেয়ে যাবেন।এতে স্বস্তি পাবে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
লেখক- সৈয়দ রাসেল আহমদ
সাংবাদিক