২২ জানুয়ারি ২০২৩
দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : দোয়ারাবাজার উপজেলায় পানি চলাচলের রাস্তায় কালভার্ট বন্ধ করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাংলাবাজার-বাঁশতলা রাস্তার কলাউড়া মার্কেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
জানা যায়, বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউড়া মার্কেট থেকে উত্তর কলাউড়া গ্রামের রশিদ মেম্বারের বাড়ীর পাশে রাস্তায় সরকারি টাকায় নির্মিত বক্স কালভার্টের মুখ বন্ধ করে দিয়েছেন বাংলাবাজার ইউনিয়নের কলাউড়া গ্রামের মৃত আইয়ুব আলীর পুত্র মোঃফজলুল হক। এতে করে এই এলাকার শতাধিক বসতবাড়িতে পানি উঠে যাওয়াসহ অন্তত হাজার বিঘা জমির ফসলহানির আশঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।
এবিষয়ে এলাকাবাসীর পক্ষে মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আব্দুল হামিদ জীবন নামের স্থানীয় এক যুবক।
অভিযোগ সুত্রে জানা যায়, কালভার্টের মুখ ভরাট করে বাড়ি নির্মাণ হলে কলাউড়া গ্রামের শতাধিক বসতবাড়িতে পানি উঠে যেতে পারে। এছাড়া ফসলি জমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি পানির চাপে রাস্তায় ভাঙ্গন ধরবে।
এলাকাবাসী জানান, এখানকার বসতবাড়িসহ ফসলি জমি ভারি বৃষ্টি ও বন্যার কবল পড়ে তলিয়ে যেতে পারে। এ থেকে রক্ষা করার জন্য একটি কালভার্ট নির্মাণ করে দিয়েছে এলজিইডি কর্তৃপক্ষ। তখন উদ্দেশ্য ছিল বর্ষায় যেন সড়কের দুই পাশের বন্যা ও বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা ঠিক থাকে। সেই সঙ্গে পাশাপাশি ফসলের ক্ষতি যেন না হয়।এলাকাবাসীর নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কালভার্টের মুখ জমিতে মাটি ভরাটের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ফজলুল হক। ওই কালভার্টটির মুখ বন্ধ করা হলে শতাধিক পরিবারের বাসস্থানসহ অন্তত হাজার বিঘা জমি পানির নিচে তলিয়ে যাবে ও ঘটবে ফসলহানি।
অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ফজলুল হক বলেন, কালভার্টটি কয়েক বছর দরে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পরেছে, তাই আমার নিজের সুবিধার্থে ছেলেদের বাড়ী‘ করার জন্যে কালভার্টটি বন্ধ করে দিয়েছি। বন্ধ হয়ে যাওয়া কালভার্ট এর পরিবর্তে জমির এক কিনারা দিয়ে আমার নিজ উদ্যোগে পানি নিষ্কাশনের জন্য একটা কালভার্টের ব্যবস্থা করে দিব।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা প্রিয়াংকা জানান, ‘কালভার্ট যাতে বন্ধ না হয় সেজন্য দ্রুত তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।