১৯ অক্টোবর ২০২২
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ি নির্বাচনে অংশ নিয়ে কাস্টিং বৈধ ভোটের শতকরা সাড়ে ১২ শতাংশ কোনো প্রার্থী না পেলে প্রার্থিতার সঙ্গে জমা দেয়া জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত হয়। কমিশনের এই বিধি অনুযায়ি সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদে নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে অংশ নিয়ে কাঙ্খিত ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে ৮ প্রার্থীর।
জেলার রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর হোসেন এর স্বাক্ষরিত ফলাফল সূত্রে জানা যায়, পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডে মোট বৈধ ৬৮ ভোট কাস্ট হয়েছে।
সাধারণ সদস্য পদে মহিবুর রহমান টিউবওয়েল প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ৪ ভোট। প্রার্থিতার জামানত রক্ষায় কাঙ্খিত ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে এই প্রার্থীর। ৫ নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে টিউবওয়েল প্রতীকে মাত্র ৪ ভোট পেয়েছেন শাহানা আল আজাদ। কাঙ্খিত ভোট না পাওয়ায় জামানত বাজেয়াপ্ত হবে তাঁর। ৬ নং ওয়ার্ডে বৈধ ১৩১ ভোটের মধ্যে সাধারণ সদস্য পদে টিউবওয়েল প্রতীকে মাত্র ৮ ভোট পেয়েছেন আব্দুল্লাহ আল বাকী আজাদ। ফলে তাঁর প্রার্থিতার জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে। ৭ নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে ২ সদস্য প্রার্থীর। ব্রজলাল দাস নির্বাচনে অংশ নিয়ে কোনো ভোট না পাওয়ায় জামানতের টাকা হারাচ্ছেন তিনি। এছাড়াও এই ওয়ার্ডে ৫৩ বৈধ কাস্ট ভোটের মধ্যে বক প্রতীকে মাত্র ১ ভোট পাওয়ায়র জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে বাদল চন্দ্র নামের আরেক প্রার্থীর। ৮ নং ওয়ার্ডে বৈধ কাস্টিং ভোটের মধ্যে সাধারণ সদস্য পদে ঘুড়ি প্রতীকে মাত্র ১১ ভোট পাওয়ায় প্রার্থিতার জামানত বাজেয়াপ্ত হচ্ছে মো. সিরাজ উদ্দিনের। ৯ নং ওয়ার্ডে জামানত বাজেয়াপ্ত হতে যাচ্ছে সাধারণ সদস্য প্রার্থী রুকনুজ্জামানের। তিনি বৈধ ১০৬ ভোটের মধ্যে পেয়েছেন মাত্র ৪ ভোট। এছাড়াও ১২ নং ওয়ার্ডে সাধারণ সদস্য পদে বৈধ কাস্টিং ১৮২ ভোটের মধ্যে আবুল কায়ের ঘুড়ি প্রতীকে পেয়েছেন মাত্র ১৩ ভোট। প্রাথিতার জামানত রক্ষায় কাঙ্খিত ভোট না পাওয়ায় মনোনয়ন হারাতে যাচ্ছেন তিনি।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুরাদ উদ্দিন হাওয়লাদার বলেন, যে প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়ে কাঙ্খিত ভোট পাননি তাদের জামানতের টাকা বাজেয়াপ্ত করবে কমিশন।