১৪ জানুয়ারি ২০১৮
ওসমানীনগর প্রতিনিধি : ওসমানীনগনে তিন দিন ব্যাপী উন্নয়ন মেলা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যায় তাজপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিভিন্ন প্রতিযোগীতায় প্রথম থেকে তৃতীয় স্থান অধিকারী প্রতিযোগী ও সেরা স্টলের কর্মকর্তাদের মাঝে পুরস্কার বিতরণের মধ্য দিয়ে উন্নয়ন মেলার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
ওসমানীগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আনিছুর রহমানের সভাপতিত্বে ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আব্দুস সালামের সঞ্চালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা চেয়ারম্যান মইনুল হক চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ওসমানীনগর সার্কেল) সাইফুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সভাপতি আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আফজালুর রহমান চৌধুরী নাজলু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা আ’লীগ সদস্য আবদাল মিয়া, ওসমানীনগর থানার ওসি মোহাম্মদ সহিদ উল্যা, তাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান রব্বানী। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, ওসমানীনগরের প্রবীন ডা. কে কে ধর, সাম্যবাদী দলের কেন্দ্রীয় নেতা কমরেড আফরোজ আলী, ওসমানীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জুবেল আহমদ সেকেল ও যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেকব লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অরুনোদয় পাল ঝলক।
মেলায় তিন দিনে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সিলেট-১ এর স্টলে তাৎক্ষনিক ভাবে ৩০ জন আবেদনকারকে তিন দিনে ৩০টি বিদ্যুতের মিটার লাগিয়ে দেয়া হয়। উপজেলা ভূমি অফিস লক্ষাধিক টাকার ভূমি কর আদায় করে, বেশ কিছু ভূমিহীন পরিবারের মধ্যে জমির দলিল হস্তান্তর করা হয় এবং প্রচুর সংখ্যক লোজের জমি স্পট নামজারী করা হয়। উপজেলা দারিদ্র বিমোচন অফিস ২৫ হাজার টাকার ও উপজেলা ইসলামী পাউন্ডেশন অফিস ৪ হাজার টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়। তাছাড়া উপজেলা স্বাস্থ ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র এবং কমিউনিটি হাসপাতাল স্টল থেকে ফ্রি সুগার পরীক্ষা, রক্তের গ্রুপিং সহ অংশ গ্রহণকারী স্টল থেকে দর্শণার্থীদের নানা সেবা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়।
মেলায় সরকারের সকল বিভিন্ন দপ্তরসহ বেসরকারী ব্যাংক বীমা এনজিও মিলে ২৪টি অংশ গ্রহণকারী স্টলের মধ্যে যুগ্ম ভাবে ৬টি স্টলকে যুগ্ম ভাবে প্রথম থেকে তৃতীয় পুরস্কার প্রদান করা হয়। এছাড়া অংশ গ্রহণকারী অন্য স্টল গুলোকে শান্তনা পুরস্কার প্রদান করা হয়। মেলা চলাকালীন সময় কুইজ, রচনা, বঙ্গবন্ধুর ভাষণ সহ বিভিন্ন প্রতিযোগী অংম গ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মধ্যে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুরস্কার প্রদান করা হয়। সন্ধ্যার পর পর থেকে মধ্য রাত পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত সংগীতর পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। তীর হারা ঐ ঢেউয়ের সাগর, সূর্যদয়ে তুমি সূর্যাস্থেও তুমি ও আমার বাংলাদেশ প্রিয় জন্ম ভুমি, কোন মেস্তরি নাও বাইছে কেমন দেখা যায়, চুমকি চলেছে একা পথে সহ আরো বেশ কিছু গানে আগত দর্শকদের মাতিয়ে রাখে মেলার শেষ দিনে শেষ পর্বের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
(আজকের সিলেট/১৪ জানুয়ারি/প্রতিনিধি/এসটি/ঘ.)