১২ অক্টোবর ২০২২


জগন্নাথপুরে ইভিএম নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে প্রাথী-ভোটার

শেয়ার করুন

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : আগামী ২ নভেম্বর সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইভিএমে ভোট হওয়ায় উদ্বিগ্ন রয়েছেন সাধারণ ভোটারসহ প্রার্থীরা। নতুন সিস্টেমে ভোট দেওয়া নিয়ে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বইছে।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর থেকে অদ্যাবধি ইভিএমকে সাধারণ ভোটারদের মাঝে পরিচিত করার জন্য কোনো উদ্যোগ লর্ক্ষ্য করা যায়নি। ইভিএমে ভোট দেওয়া নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ও অজানা আশঙ্কায় ভুগছেন বলে শতাধিক ভোটার ও প্রার্থী।

ইভিএমে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন কিনা সেটা নিয়েও ভোটারদের মধ্যে সংশয় রয়েছে। যারা ইভিএম নিয়ন্ত্রণ করবেন তারা কতটুকু নিরপেক্ষ ভ‚মিকা পালন করবেন সেটা নিয়েও ভোটারদের মাঝে রয়েছে দ্বিধাদ্বন্দ। এছাড়া ইভিএমের সঙ্গে নির্বাচনের দিন যারা সংশ্লিষ্ট থাকবেন তারা নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর পক্ষ নিয়ে মেশিন হ্যাকিং করতে পারেন। কিংবা অন্য কোনো উপায়ে ভোটারের অগোচরে ভোট প্রয়োগ করতে পারেন এমন আশঙ্কাও করছেন সাধারণ ভোটারসহ নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী একাধিক চেয়ারম্যান প্রার্থীর। যদি এর আগে একমাত্র পৌর সভায় নির্বাচনে ইভিএমে মাধ্যমে ভোট গ্রহণ করা হয়েছিল। পৌর সভার জনগন ছাড়া উপজেলার সাধারন জনতার ইভিএম নিয়ে অভিজ্ঞতা নেই।

উপজেলার হাজী এখলাছুর রহমান, মনজুরুল আহমদ, সিরাজুর ইসলাম সহ জনসাধারন জানান, ইভিএমে কীভাবে ভোট প্রদান করতে হয় সে সম্পর্কে তাদের কোনোই ধারণা নেই। এ ব্যাপারে স্থানীয় নির্বাচন অফিস সহ সংশ্লিষ্ট কেউ কোনো প্রকার প্রচার-প্রচারণা কিংবা ভোটারদের হাতে-কলমে কোনো প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় নাই। ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ আমাদের মনে শঙ্ক তৈরি করেছে।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বাংলাদেশ জমিয়তের প্রার্থী সৈয়দ তালহা আলম জানান, আমাদের উপজেলার প্রথম ইভিএম পদ্ধতিতে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। এটা নিয়ে আমারও সন্ধিহান আছে, যদি নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা সঠিক াবে কাজ করেন তাহলে ভাল ফলাফল আসা করা যায়। যেহেতু নতুন সিস্টেম এ বিষয় জনসাধারণকে ভালভাবে দেখানো ও বোঝানো সকলের দায়িত্ব।

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা সুনামগঞ্জ জেলার সিনিয়র নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শুকুর মাহমুদ মিয়া জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় ৮৯টি ভোট কেন্দ্র আছে, সকাল আটটা থেকে বিকেল চারটা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট নেওয়া হবে। যেহেতু এখানে ইভিএমে মাধ্যমে পৌরসভা নির্বাচন হয়েছিল কোন সমস্যা হয় নাই। ভোটারদের প্রশিক্ষণের প্রস্তুতি নেব। উপজেলার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে আমরা বড় পর্দায় দেখাবো তারা কিভাবে ভোট দিবে। আমি আশা করতেছি ইভিএমের ভোট আনন্দ মুখোর পরিবেশে সুষ্ঠভাবে হবে। ইভিএমে জাল-জালিয়াতি করার সুযোগ নেই।

শেয়ার করুন