৫ জানুয়ারি ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : ছাত্রদল নেতা সিমুকে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। আবুল হাসনাত সিমু হত্যা মামলার আসামী তারই গ্রুপের উপ গ্রুপের নেতাকর্মীরা।
কোতোয়ালি থানায় ৮ জনকে আসামি করে মামলাটি দায়ের করেন সিমুর মামা। এছাড়াও মামলায় আরও ৬/৭জনকে অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে। বুধবার রাতে মামলাটি দায়ের করা হয়।
মামলার প্রধান আসামী নাবিল রাজা, ২নং আসামী মদন মোহন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি নেতা কাজী মেরাজ, ৩নং আসামী জাহেদ আহমদ। এছাড়াও এজহার নামীয় আসামিরা হচ্ছে-মিজানুর রহমান সুজন, জাকি, ইমাদ উদ্দিন, নাহিয়ান রিপন ও তুষার।
উল্লেখ্য, সোমবার বিকাল ৪টায় ছাত্রদলের ৩৯ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় সামনে দাঁড়ানোকে কেন্দ্র করে নগরীর কোর্টপয়েন্টে ধাক্কাধাক্কির একপর্যায়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয় ছাত্রদলের দুটি গ্রুপ। এসময় শিমু ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়। তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকলে কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষনা করেন। আবুল হাছনাত শিমুল মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক।
মঙ্গলবার দুপুরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ সিমুর ময়না তদন্ত শেষে তার পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে। ঐদিন বিকেলে শাহি ঈদগাহ ময়দানে প্রথম দফায় তার জানাজা সম্পন্ন হয়।
সিমুর কয়েকজন আত্মীয় লন্ডন থেকে দেশে আসায় ওই দিনই এশার নামাজের পর দরগাহ মসজিদে তার দ্বিতীয় দফা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে তাকে হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজারের কবরস্থানে দাফন করা হয়। সিমু নগরের আরামবাগ এলাকার ২২ নম্বর বাসার বাসিন্দা। ব্যক্তিগত জীবনে সিমু বিবাহিত। জান্নাত নামে তাঁর ৫ বছরের এক মেয়ে রয়েছে।
(আজকের সিলেট/৫ জানুয়ারি/ডি/এসসি/ঘ.)