১৩ জুলাই ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদের আগে থেকেই নগরীতে কাঁচাবাজারে দামের ঊর্ধ্বগতি। ঈদকে কেন্দ্র করেই কাঁচামালের দাম বাড়িয়েছেন ব্যবসায়ীরা। যা এখন পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বুধবার সিলেট নগরীর রিকাবীবাজার, আম্বরখানা ও মদিনা মার্কেট ঘুরে দেখা গেছে- টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০, গাজর ১২০, কাঁচা মরিচ ২৫০ থেকে ৩০০, ধনিয়া পাতা ১৮০ থেকে ২০০, শশা ১২০ থেকে ১৪০, বড় লেবুর হালি ৩০-৪০ ও ছোট লেবুর হালি ২০-২৫ টাকা।
বাজারে আসা ক্রেতারা বলছেন- মাত্র ৪-৫ দিনের ব্যবধানে কাঁচামালের অস্বাভাবিক দাম বেড়েছে।এর মধ্যে বেশি দামে ক্রয় করতে হচ্ছে শসা ও কাঁচা মরিচ। আর টম্যাটো ও গাজরের দামও কিছুটা বাড়তি।
এদিকে বিক্রেতারা বলছেন, ‘জোগান’ কম থাকায় দামের এই আকাশচুম্বী অবস্থা।
তবে ক্রেতারা বলছেন- বিক্রেতারা ইচ্ছেমতো দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন।
রিকাবীবাজারে দেখা হয় আসিফ আহমেদ নামের এক সরকারি চাকরিজীবির সঙ্গে। প্রশ্ন রেখে তিনি বলেন, ‘অবস্থা দেখেছেন? কাঁচা মরিচের কেজি ২৪০ টাকা। দেশে দুর্ভিক্ষ আসলো নাকি?’
পাশেই থাকা বিক্রেতা তৎক্ষণাৎ জবাব দেন, ‘স্যার, মাল আইছে না। তে আমরা কিতা করতাম?’
আসিফ আহমেদ এর জবাবে বলেন, ‘তোমাদের এ অজুহাত আমরা প্রতি ঈদের পরদিনই শুনি। আসলে ঈদের কথা বলে তোমাদের ফায়দা নেয়ার চেষ্টা।’
আম্বরখানা বাজারে সবজি বিক্রেতা মো. জয়নাল মিয়া বলেন, ‘গতকাল রাতে মাত্র এক ট্রাক মাল এসেছে। এ জন্যই সব সবজির দাম বেশি।’
দুই-তিন দিন পর সব সবজির দাম কমে আসবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে, কাঁচা মরিচ, শসা, টমেটো ও গাজরের মতো দ্বিগুণ বাড়ার পাশাপাশি অন্যান্য সব সবজির দামও বাড়তি। প্রায় সব সবজিই কেজিতে ১০-২০ টাকা করে বেড়েছে। এতে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন সিলেটের বন্যার্ত নিম্ন আয়ের মানুষ।