৯ জুলাই ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : আধ্যাত্মিক নগরী আবারও পুরানো রূপ ধারণ করছে। পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষে এখন পুরো নগরীই চলে গেছে হকারদের দখল। বন্দর বাজার, জিন্দাবাজার, তালতলা সহ বিভিন্না এলাকায় ফুটপাতে বসছে হকার, হচ্ছে চাঁদাবাজি। শুরু হয়েছে তীব্র যানযট। অভিযানের কোন উদ্ধোগ নেই সিটি কর্পোরেশন ও এসএমপির।
কিছুদিন আগেও দেখা গেছে, নগরীর ফুটপাতে কোন ধরণের হকার বসতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ নিয়মিত অভিযান দিচ্ছে। কিন্তু কয়েক দিনের ব্যবধানে ফের ফুটপাত দখল করে নিচ্ছে হকার্স। এমনকি একটি চক্র নিয়মিত হকার্সদের কাছ থেকে টাকাও আদায় করছে। ফলে হকার্সরা ফুটপাত দখল করে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে। সিসিকের লোকজনকেও এখন অভিযান দিতে দেখা য়ায়নি। এরা কার ইশারায় ফুটপাত দখল করে নিচ্ছে? আর কার নামে হকার্সদের কাছ থেকে টাকা আদায় করা হয়?। এ নিয়ে দেখা দিয়েছে সচেতন মহলের মধ্যে নানা প্রশ্ন?
এদিকে, মেয়র তিনি নিজেই নগরীর জিন্দাবাজার এলাকায় রিক্সা চলাচল বন্ধ করে দিয়েছিলেন। এমনকি জিন্দাবাজারে প্রবেশ মুখে রিক্সা চলাচল বন্ধের জন্য লোকও নিজোক্ত করেছেন। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যে সব আয়োজন শেষ।
খোদ মেয়রের কাছের লোক ও মেয়রের মিছিলে শত শত হকারকে একত্রিত করার একমাত্র হাতিয়ার আব্দুল আহাদ ও তার সহযোগী রকিব আলী চালিয়ে যাচ্ছেন বেপরোয়া চাঁদাবজি। ফুটপাত থেকে টাকা উঠানোর জন্য তাদের নিযুক্ত লাইনম্যানরা রয়েছে। তার হলো সুমন, আলম ও রিপন। এছাড়া জিন্দাবাজার এলাকায় রয়েছে ছিনতাইকারী কামালসহ রয়েছে একদল লাইনম্যান। এরা টাকা উত্তোলন করে সিসিকের একজন সুপারভাইজার ও বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ির একজন এএসআইকে নিয়ে ভাগাভাগি করে আসছে। তাছাড়া ডিউটির পুলিশ নিয়মিত আলাদা করে চাঁদা নিয়ে থাকে। তবে ঈদে এই চাঁদাবাজরা বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। হাতিয়ে নিচ্ছে কাড়ি কাড়ি টাকা।
বিষয়টি কথা বলতে কোতোয়ালী থানার ওসির ব্যাবহৃত সরকারী মোবাইল নাম্বারে কল দেয়া হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।