১০ মে ২০২২


ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে পড়ল গুদাম

শেয়ার করুন

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি : ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাবে ঢাকাসহ দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টি হচ্ছে। ঝড়ের প্রভাবে ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার ঘিলাছড়া জিরোপয়েন্টে ভেঙে পড়েছে অর্ধশতবর্ষী একটি গুদামঘর। তবে এ ঘটনায় হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।

মঙ্গলবার সকালে অশনির প্রভাবে বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি অব্যাহত ছিল। দুপুরে হযরত গোলাপশাহ (র.) মাজারের প্রবেশদ্বারে পরিত্যক্ত গুদামটি ধসে পড়ে।

জানা গেছে, খাদ্য গুদাম হিসেবে পরিচিত ভবনটি প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত। তৎকালীন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের অধীনে গণপূর্ত অধিদপ্তর কর্তৃক গুদামটি নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে থাকায় চুরি হয়ে যায় গুদামের লোহার তৈরি দরজা ও রেলিং। গুদামের ছাদে ঘাস-লতা জন্মে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। এ অবস্থাতেও স্থানীয়রা বোরো মৌসুমে গুদামে অল্প সময়ের জন্য ধান মাড়াই ও সংরক্ষণ করতেন। সম্প্রতি গুদামটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠলে ভেতর মানুষ প্রবেশ নিয়ন্ত্রিত রাখা হয়।

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গুদাম ধসের খবর পেয়ে তিনি উপজেলা উপ সহকারী প্রকৌশলীকে সেখানে পাঠান। তিনি প্রতিবেদন জমা দিলে মাসিক সভায় সিদ্ধান্তক্রমে গুদামটি বিক্রির জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হবে।

তিনি জানান, ঝুঁকিপূর্ণ গুমাদের ব্যাপারে এক বছর আগে পরিষদের মাসিক সভায় অবহিত করা হয়। উপজেলা পর্যায়ে আরও ৩টি গুদাম অকেজো ছিল। পরে কৃষি কর্মকর্তা বিভাগীয় পরিচালককে চিঠি দেন, মন্ত্রণালয়ের অনুমতি ছাড়া অকেজো এসব ভবন ভাঙা যাবে না। এর পরিপ্রেক্ষিতে কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায় উপজেলা প্রশাসনের নেবে না বলে তারাও পাল্টা চিঠি দেন।

উপজেলা প্রকৌশলী সুদর্শন সরকার বলেন, অকেজো গুদামটি ভেঙে পড়ার বিষয়টি জানতে পেরেছি। এ বিষয়ে উপ সহকারী প্রকৌশলীকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলেছি। ভেঙে পড়া ইট-পাথর যাতে লুট না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে। ইট-পাথর চুরি হলে আইন অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন