২৫ এপ্রিল ২০২২


ঈদ উদযাপনে এসএমপির চার স্থরের নিরাপত্তা

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : নগরীতে জনসাধারণের কেনাকাটা এবং ঈদ উদযাপনকে নির্বিঘ্ন করতে চার স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। ঈদ এবং ঈদ পরবর্তী ছুটির দিনগুলোতে নগরবাসীর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ এ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ।

তিনি বলেন, টানা দুবছর মাহামারি করোনার কারণে সিলেটসহ সারাদেশের মানুষ ঈদে তেমন একটা কেনাকাটা করতে পারেননি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কঠোর এবং কার্যকর পদক্ষেপের কারণে দেশে করোনা পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে। আর তাই এবার অনেক আগে থেকেই সিলেটবাসী ঈদের কেনাকাটা করতে নেমে পড়েছেন। তাদের সুবিধার জন্য আমরা চার স্তরের নিরাপত্তা দেয়ার উদ্যোগ নিয়েছি। পুলিশের পাশাপাশি আইনশৃখলা রক্ষাকারী অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরাও সক্রিয় রয়েছেন।

সিলেটের আইন-শৃখলা পরিস্থিতি যথেষ্ট ভালো অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে তিনি আরো বলেন, ঈদ জামায়াতকে কেন্দ্র করে ঈদের তিন দিনের বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় এসএমপির সকল টিম কাজ করছেন বলে জানান তিনি।

সিলেট মহানগরীর যানজট নিয়ন্ত্রণে রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঈদের এই সময়টাতে নগরীতে কেনাকাটা করতে প্রচুর মানুষ বাইরে থেকে প্রবেশ করেন। তাদের সঙ্গে প্রবেশ করে প্রচুর যানবাহনও।

নাড়ির টানে অনেকেই নিজের বাড়ি বা বাসায় ফেরত আসেন। এ অবস্থায় নগরীতে বাড়তি চাপ পড়ে। আমরা এসব ব্যাপারে সতর্ক। এ সময়টাতে যাতে পুলিশ ও পরিবহন মালিক-শ্রমিকরা বাড়তি সতর্ক থাকেন, সবার চলাচল যাতে নির্বিঘ্ন হয় সে ব্যাপারে আমরা কাজ করছি। পরিবহন মালিক শ্রমিক এবং যাত্রীদের সচেতন করছি। পরিবহন মালিক শ্রমিকদের সঙ্গে আমরা সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছি।নগরীর সড়কে যেন শৃঙ্খলা বজায় থাকে সে জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং কাজ করতে হবে।

সর্বসাধারণের কেনাকাটা নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছি। সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার নিশারুল আরিফ আরো বলেন, ঈদের বাজার ও ছুটির সময়টাতে নানা ধরনের প্রতারক, পকেটমাররা সক্রিয় হয়ে উঠার চেষ্টা করে। তাদের ব্যাপারেও পুলিশ প্রশাসন সতর্ক অবস্থায় রয়েছে। কোনো দুষ্কৃতকারী যাতে কোনো ধরনের সুবিধা আদায় করতে না পারে সেজন্য আমরা যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তাদের চিহ্নিত করে বাধা দেয়া ও বল প্রয়োগ করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে। অজ্ঞান ও মলম পার্টির সদস্যরা যেন মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে সেদিকেও আমাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। যাত্রী সাধারণকে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার আহবান জানিয়ে অপরিচিত কারো দেয়া কোনো খাবার গ্রহণ না করতে অনুরোধ জানিয়েছেন।

এছাড়া যে কোনো প্রয়োজনে পুলিশের সাহায্য নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন