২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২
ডেস্ক রিপোর্ট : দ্রব্যমুল্য উর্ধগতির জন্য আওয়ামী লীগ সিন্ডিকেটকে দায়ি করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন তারা ইচ্ছে করে জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়েছে। দ্রব্যমূল্যের উর্ধগতির কারনে পুরো দেশের মানুষ দুর্ভোগে পড়েছে তবে এ ব্যাপারে সরকারের কোন ভাবাবেগ নেই। কারন এই ভোট চুরির সরকারের জনগনের প্রতি কোন দায়বদ্ধতা নেই।
সোমবার বিকেলে দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে কেন্দ্রঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসাবে সিলেট মহানগর বিএনপি আযোজিত বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে আয়োজিত এই বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকী।
তিনি আরও বলেন, জ্বালানী তেল বিদ্যুৎ গ্যাস কোন কিছুই বাদ যায়নি মুল্য বৃদ্ধি থেকে। সরকারের দুর্নীতি লুটপাট ব্যাংক ডাকাতির কারনে দেশের অর্থনীতির অবস্থাও নাজুক। যার খেসারত দিতে হচ্ছে জনগনকে। দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে জয়ী নিশ্চিত হওয়ার জন্য তত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছে আওয়ামীলীগ। এই সরকারকে হটিয়ে তত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন নিশ্চিত করতে হবে। নইলে দুর্ভোগ থেকে নিস্তার মিলবে না। এজন্য জনগনকে জেগে উঠতে হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে জনগণের নাভিশ্বাস উঠেছে। প্রতিদিনই বাড়ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য। ক্রমাগত এই দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধিতে এমনিতেই দিশেহারা মানুষ। অন্য দিকে জ্বালানি তেল, পানি, গ্যাস ও ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সবকিছুর মূল্য বৃদ্ধিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোতে হাহাকার চলছে। সরকার জনগণের কথা চিন্তা করছে না। দ্রব্যমূল্যের সীমাহীন ঊর্ধ্বগতিতে সরকারের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে মেঘা দুর্নীতি করছে। তিনি আরো বলেন, দেশের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার একমাত্র পথ বর্তমান সরকারের পদত্যাগ, নির্দলীয় সরকারের অধীনে ক্ষমতা হস্তান্তর, সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন।
সিলেট মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালীর পংকীর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মিফতাহ্ সিদ্দিকী’র পরিচালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বেগম খালেদা জিয়ার চেয়ারপার্সের উপদেষ্টা ড.এনামুল হক চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উউপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. শাখাওয়াত হাসান জীবন, সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন মিলন, কেন্দ্রীয় সদস্য ডা: শাহরিয়ার হোসেন চৌধুরী, সিলেট জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদার, বিএনপির কেন্দ্রীয় সদস্য ও যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়ন, কৃষকদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মামুনুর রশিদ খান, মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি নাসিম হোসাইন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান সেলিম, সিলেট মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির শাহিন, কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীম, এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব, সৈয়দ মিসবাহ উদ্দিন, সুদীপ রঞ্জন সেন বাপ্পু, এডভোকেট রোকসানা বেগম শাহনাজ, নজিবুর রহমান নজিব, সৈয়দ মঈনউদ্দিন সোহেল, সদস্যবৃন্দের মধ্যে আমির হোসেন, মাহবুব কাদির শাহী, আতিকুর রহমান সাবু, হুমায়ুন আহমদ মাসুক, নুরুল আলম সিদ্দীকি খালেদ, মুর্শেদ আহমদ মুকুল, আফজল উদ্দিন, মাহবুব চৌধুরী, আবুল কালাম, যুবদলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি আনসার উদ্দিন, শ্রমিক দলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুরমান আলী, মহানগর সভাপতি ইউনুস মিয়া, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহিদ সোহেল, মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি সুদীপ জ্যোতি এষ, জাসাস মহানগরের আহ্বায়ক তাজ উদ্দিন মাসুম, মহানগর মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আহমদ, কৃষকদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আহাদ খান জামাল, কৃষকদল আহ্বায়ক শহীদ আহমদ মহানগর যুবদলের সদস্য সচিব শাহ্ নেওয়াজ বখত চৌধুরী তারেক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব দেওয়ান জাকির হোসেন খান, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে এহসান রাব্বী, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক দিলোয়ার হোসেন নাদিম প্রমুখ।