১ ফেব্রুয়ারি ২০২২
অতিথি প্রতিবেদক : সিলেটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে সোমবার ১৫টি ইউনিয়নের সবকটিতে ইভিএমে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। জেলার ৫ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ৮টিতে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা। এছাড়া ৩টিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও ৪টিতে স্বতন্ত্রের ব্যানারে বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। ইউপি নির্বাচনের ষষ্ঠ ধাপে এসে জেলায় নৌকার জয়জয়কার হয়েছে।
সিলেটের সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ শুকুর মাহমুদ মিঞা এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, এবার সিলেট জেলার ১৫টি ইউনিয়নের সবকটিতে শতভাগ ইভিএমে ভোটগ্রহণ হওয়ায় কেন্দ্র দখল, প্রভাব বিস্তার বা জাল ভোটের কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এর মধ্যে ৫টিতে আওয়ামী লীগ, দুইটিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও ১টিতে স্বতন্ত্রের ব্যানারে অংশ নেওয়া বিএনপির প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন।
উমরপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মো. গোলাম কিবরিয়া, সাদিপুরে আওয়ামী লীগের সাহেদ আহমদ মুছা, পশ্চিম পৈলনপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী গোলাম রব্বানী চৌধুরী সুমন, বুরুঙ্গাবাজারে আওয়ামী লীগের আখলাকুর রহমান, গোয়ালাবাজারে আওয়ামী লীগের পীর মজনু, তাজপুরে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী অরুনোদয় পাল ঝলক, দয়ামীরে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানারে বিএনপি নেতা এসটিএম ফখর উদ্দিন ও উছমানপুরে আওয়ামী লীগের ওয়ালী উল্লাহ বদরুল নির্বাচিত হয়েছেন।
বিশ্বনাথ উপজেলার খাজাঞ্চিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আরশ আলী ও লামাকাজি ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানারে বিএনপি নেতা কবীর হোসেন ধলা মিয়া বিজয়ী হয়েছেন। এছাড়া দক্ষিণ সুরমা উপজেলার তেতলী ইউনিয়নে স্বতন্ত্রের ব্যানারে বিএনপি নেতা মো. অলিউর রহমান অলি ও কামালবাজারে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী একরামুল হক নির্বাচিত হয়েছেন।
গোয়াইনঘাটের পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নজরুল ইসলাম ও পশ্চিম আলীরগাঁও ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের গোলাম কিবরিয়া হেলাল বিজয়ী হয়েছেন। কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ইসলামপুর পশ্চিমপুর ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থীর ব্যানারে বিএনপি সমর্থিত জিয়াদ আলী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
এর আগে সোমবার সকাল থেকে সিলেটের প্রতিটি ভোট কেন্দ্রেই নারী ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল। প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট দিতে এসে অনেক ভোটার অনভ্যস্ত থাকায় তাদের অস্বস্তিতে পড়তে দেখা যায়। ভোট গ্রহণেও ধীরগতি ছিলো। একারণে সকাল ৮ থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত কেন্দ্রগুলোতে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিলো। ভোটগ্রহণের শেষ সময় বিকেল ৪টা নির্ধারিত থাকলেও ওই সময়ে অনেক কেন্দ্রে ভোটারদের দীর্ঘ লাইন ছিল।