৫ ডিসেম্বর ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে রায়হান আহমদ নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনার মামলার পলাতক আসামি আব্দুল্লাহ আল নোমানের পরোয়ানা তামিল হয়নি। ইতিমধ্যে সিলেট অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জারিকৃত গ্রেফতারি ও ক্রোকি পরোয়ানা তামিল না হওয়ায় পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।
রোববার এই মামলার শুনানির দিন ধার্য ছিল।
বাদীপক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এমএ ফজল চৌধুরী জানান, রায়হান হত্যা মামলার অন্যতম আসামি কোম্পানীগঞ্জের আব্দুল্লাহ আল নোমান। ঘটনার পর সে দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে। পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি ও মালামাল ক্রোকি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। রবিবার আদালতে পরোয়ানা তামিল হয়ে ফেরত না আসায় আদালত নতুন দিন ধার্য করেছেন।
এদিকে রায়হান মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার অন্যতম সাক্ষী চুলাই লাল ‘আত্মহত্যা’ করেছেন। এ ছাড়া আরেক সাক্ষীকে সাক্ষ্য না দিতে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন রায়হানের মা সালমা বেগম। আজ দুপুরে রায়হান হত্যা মামলার শুনানি শুরুর আগে সিলেট জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা জানান।
এ বিষয়ে জানতে ব্যারিস্টার এমএ ফজল চৌধুরী বলেন, আসলে চুলাই লাল কীভাবে মারা গেছেন সেটা দেখবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এটা আমাদের কোনও বিষয় নয়।
২০২০ সালের ১১ অক্টোবর সকাল ৬টা ৪০ মিনিটে সিলেট নগরীর বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে রায়হানকে গুরুতর আহত অবস্থায় এমএসচি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির এএসআই আশেকে এলাহী। সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে হাসপাতালে মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় রায়হানের স্ত্রী হত্যা ও হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে থানায় মামলা করেন। এরপর বন্দরবাজার ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই আকবরসহ চার পুলিশ সদস্যকে সাময়িক বরখাস্ত ও তিন জনকে প্রত্যাহার করা হয়।