২৬ অক্টোবর ২০২১


মোবাইলে প্রেমের সূত্রে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ

শেয়ার করুন

আজকের সিলেট ডেস্ক : মোবাইলে পরিচয়ের সূত্রে ভালোবাসার সম্পর্ক তৈরী হয়। সম্পর্কের গভীরতায় মিথ্যা ভালাবাসার অভিনয় করে সরলতার সুযোগ নিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার কুপ্রস্তাব দেয়া হয়। তাতে অসম্মতি জানালে বিয়ের প্রলোভনে কৌশলে ধর্ষণ করা হয়।

ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বাদী হয়ে গাজীপুর বিজ্ঞ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন-সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার ইসাকপুর গ্রামের আফিজ উল্যার ছেলে বদরুল ইসলাম ও তার সহযোগি একই গ্রামের আফসার উদ্দিনের ছেলে জিয়াউর রহমান।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, নেত্রকোনার আটপাড়া উপজেলার তরুণী (১৭) ও তার পরিবার গাজীপুরের বাসন থানার ভোগড়া চৌরাস্তা এলাকায় জব্বারের বাড়িতে ভাড়াটে হিসেবে বসবাস করছেন।

অভিযুক্ত বদরুলের সাথে মোবাইলে ওই তরুণীর পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। এরপর বদরুল মাঝে-মধ্যে গাজীপুর গিয়ে তরুণীর সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করতেন। বদরুল মিথ্যা ভালোবাসার অভিনয় করে তরুণীকে শারীরিক সম্পর্ক করার কুপ্রস্তাব দেন।

তরুণী তাতে অসম্মতি জানান। বদরুল তাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিয়ের দিন তারিখ ঠিক করার কথা বলে ১৫ জুলাই বিকেল ৫টার দিকে বদরুল ও তার সহযোগি জিয়াউর ওই তরুণীর বাসায় যান। তখন তরুণী বাসায় একা ছিলেন।

ওই সময় সুযোগ সন্ধানী বদরুল ও জিয়াউর তরুণীর মুখ চেপে ধরে বাসার দরজা আটকিয়ে তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। তরুণী প্রতিবাদ করলে তাকে মেরে আহত করে ধর্ষণকারীরা পালিয়ে যান। পরিবাররের লোকজন বাসায় গিয়ে তাকে আহত অবস্থায় দেখে ঘটনার বিস্তারিত জানতে পারেন।

ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী বলেন, এ ঘটনায় আমি ৯ জুলাই বাসন থানায় এজাহার দাখিল করি কিন্তু থানা পুলিশ আমার এজাহার গ্রহণ করেনি। এরপর ধর্ষণকারীদের নাম ও ঠিকানা সংগ্রহ করে ২৭ সেপ্টম্বর গাজীপুর আদালতে মামলা দায়ের করি।

তরুণীর পক্ষে মামলা পরিচালনাকারী গাজীপুর জজ কোর্টের অ্যাডভোকেট সোহেল রানা বলেন, মাননীয় আদালত মামলাটি নথিভুক্ত করে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পিবিআই নির্দেশ দিয়েছেন।

শেয়ার করুন