১১ আগস্ট ২০২১


এয়ার ট্রাভেল মার্ট যেন ‘নতুন পাসেপোর্ট অফিস!

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : প্রবাসী আধ্যুসিত আধ্যাতিক রাজধানী সিলেট। এই অঞ্ঝলের বেশীরভাগ পরিবারের লোকজনই দেশের বাহিরে থাকেন। প্রতিনিয়ত অনেইই নতুন করে দেখের বাহির যাওয়ার চেষ্ঠা করেন। এজন্য তাদেরকে পাসপোর্ট করতে হয়। অনেক সময় পাসপোর্টের ভুল ত্রুটিও সংশোধন করেত হয়। কিন্তু এসবের সুযোগ নিচ্ছে এক শ্রেণীর দাদাল চক্র। তারা রীতিমত শহরের বিভিন্ন এলাকাকায় পাসপোর্টের সাব অফিসও খুলে বসেছেন। এমনই এক ‘নতুন’ পাসপোর্ট অফিসের সন্ধান মিলেলে নগরীর কুদরত উল্লাহ মার্কেটে।

কুদরত উল্লাহ মার্কেটের অযুখার উপরে অবস্থিত ‘এয়ার ট্রাভেল মার্ট’ নামে এক ট্রাভেল এজেন্সি তো স্যোসাল মিডিয়ায় পাসপোর্টের সকল সমস্যা সমাধানের বিজ্ঞাপর দিয়ে দিয়েছে।

মঙ্গলবার প্রতিষ্ঠানটির ম্যানেজিং পার্টনার এম কে মুসা চৌধুরী নামে এক ব্যাক্তি ফেইসবুকে নিজের আইডিতে দেয়া একটি বিজ্ঞাপনে চোখ আটকে যায়।

তিনি লিখেছেন-

পাসপোর্ট এর সাথে আপনার যদি ভোটার আইডি কার্ড এর কোন সমস্যা থাকে তাহলে যোগাযোগ করতে পারেন খুব দ্রুত সংশোধন করে দেওয়া যাবে।
আমাদের সেবা গুলি নিচে দেওয়া হলঃ
ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিলেট, নাম, বয়স, ঠিকানা, স্বামীর নাম পরিবর্তন স্ত্রীর নাম পরিবর্তন নামের একটি অক্ষর ভুল আছে এমন কিছু।

এম কে মুসা চৌধুরী
ম্যানেজিং পার্টনার
এয়ার ট্রাভেল মার্ট
কুদরত উল্লাহ মসজিদ মার্কেট,সিলেট।
Contact: 01840 93 9***

এখন প্রশ্ন হচ্ছে আসলেই কি এসব কাজ করা সম্ভব? আর যদি সম্ভব হয়েই থাকে তাহলে তার এই সিন্ডিকেটে পাসপোর্ট অফিসের কোন কোন কর্মকর্তা জড়িত হয়েছেন?

পাসপোর্ট অফিস সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বিজ্ঞাপনে যে সব সার্ভিস দেয়ার কথা বলা হয়েছে তা আদৌ সম্ভব নয়। আর পাসপোর্ট সংক্রান্ত সকল সমস্যার সমাধান করতে হবে পাসপোর্ট অফিসের মাধ্যমে। পাসপোর্ট অফিস থেকে কোন এজেন্সি দেয়া হয়নি। এমনকি আমাদের অফিসে দালালদের কোন আশ্রয় প্রশ্রয়ও দেয়া হয়না।

নিজের দেয়া বিজ্ঞাপন সম্পর্কে জানতে চাইলে এয়ার ট্রাভেল মার্টের ম্যানেজিং পার্টনার দাবীদার এম কে মুসা চৌধুরী আজকের সিলেটকে বলেন, আমরা গ্রাহকদের এসব সেবা দিয়ে থাকি। এমআরপি পাসপোর্ট থেকে ফিঙ্গারপ্রিন্ট ডিলেইট করতে হলে ২ লক্ষ টাকা খরচ হবে। আর পিতামাতার নামও পরিবর্তন করা যাবে।

কিভাবে এই করবেন এমন বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাসপোর্ট অফিসে সবার সাথে আমার ভালো সম্পর্ক আছে। এমনকি আগারগাঁও পর্যন্তও আমার ভালো লিংক রয়েছে। আগারগাওঁ অফিসে সুমন ভাই আমার সকল কাজ করে দেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে সিলেট পাসেপোর্ট অফিসের পরিচালক একেএম মাজহারুল ইসলাম আজকের সিলেটকে বলেন, আমাদের অফিসের কোন দাদাল নেই। এমন কাজ কখনো করা সম্ভব হবেনা। যেই এই বিজ্ঞাপনটি দিয়েছেন তাদের সাথে আমাদের কোন সম্পর্ক নেই। এদের বিরুদ্ধে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন