২২ জুন ২০২১


ওসমানীনগরে শিক্ষিকা খুন : আত্মহত্যা করা গৃহকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

শেয়ার করুন

ওসমানীনগর প্রতিনিধি : ওসমানীনগরে স্কুলশিক্ষিকা তপতী রানী দে লাভলী (৪৮) ও তার গৃহকর্মী গৗরচাঁদ বৈদ্য গৌরাঙ্গের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা নম্বর ২০। মামলায় শিক্ষিকা হত্যাকাণ্ডে একই ঘর থেকে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় উদ্ধার করা মৃত গৃহকর্মী গৗরচাঁদ বৈদ্য গৌরাঙ্গকে অভিযুক্ত করা হয়। খুন হওয়া শিক্ষিকার ছেলে ডা. তন্ময় দে বিপ্লব ওসমানীনগর থানায় মামলাটি দায়ের করেছেন।

এর আগে রোববার গৌরচাঁদ বৈদ্য গৌরাঙ্গের ভাই গৌতম ওসমানীনগর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন।

জানা গেছে, শনিবার দিবাগত রাতে সোয়ারগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা তপতীর মরদেহ বাসার মেঝেতে বিবস্ত্র গলাকাটা অবস্থায় পড়েছিল। একই ঘরে গলায় গামছা দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ফাঁস লাগানো অবস্থায় গৃহকর্মীর গৌরাঙ্গের (২২) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

নিহত গৃহকর্মী দীর্ঘ ৬ বছর ধরে শিক্ষিকা তপতীর কাজের সহযোগী হিসেবে বাসায় থাকতেন। তার বাড়ি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার দশঘর ইউনিয়নের লহরী গ্রামে।

গত রোববার ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে সেই বিষয়ে এখনো পুলিশ কিছু জানতে পারেনি।

শিক্ষিকার পরিবার ও পুলিশের দাবি- শিক্ষিকাকে খুন করে ওই গৃহকর্মী নিজেই আত্মহত্যা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে- তপতীর মৃতদেহের পাশ থেকে একটি ছুরি ও বটি উদ্ধার করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে এ দু’টি অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। তপতীর ঘাড়ের ডান দিকে একটি কোপ ও ঘাড়ের পিছনে ছুরির আঘাত রয়েছে। সন্ধ্যার পর কোনো এক সময়ে এ হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে ধারণা পুলিশের। নিহত শিক্ষিকার ছেলে-মেয়ে ও স্বামী তিনজনই চিকিৎসক।

ওসমানীনগর থানার ওসি শ্যামল বণিক বলেন, ‘শিক্ষিকার ছেলের দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে থানায় হত্যা মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।’

শেয়ার করুন