৬ জুন ২০২১


‘আমি পরিস্থিতির শিকার’

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেটে আইনজীবী আনোয়ার হোসেন মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেফতারকৃত ২নং আসামী শিপা বেগমের রিমান্ড শুনানী হয়েছে। তদন্ত কর্মকর্তা ৭ দিনের রিমান্ড চাইলে রোববার শুনানী শেষে আদালত শিকার ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

শুনানীকালে স্বামীর মৃত্যুর ১০ দিনের মাথায় কেন বিয়ে করলেন,এমন প্রশ্নের জবাবে শিফা আদালতকে জানান-আমি পরিস্থিতির শিকার হয়ে বিয়ে করি। এমন কি পরিস্থিতি ছিল যে,স্বামীর মৃত্যুর ১০ দিনের মাথায় খালাতো ভাই শাহজাহানকে বিয়ে করতে হলো প্রয়াত আইনজীবী আনোয়ার হোসেনের স্ত্রী শিপাকে।

পরিস্থিতির অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে ‘হত্যা”মামলার নেপথ্যে থাকা বিরল তথ্য। আর সেই তথ্যের খোলাসা এই যে,স্বামীর ত্যজ্য বিত্ত রক্ষার্থে দেবর মনোয়ারের দ্বিতীয় স্ত্রী হওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে অন্যকে স্বামী গ্রহণ করায়ই আইনজীবির সদ্য বিধবা স্ত্রী শিপাকে ‘মিথ্যা’ হত্যা মামলায় জেলে ও পুলিশ রিমান্ডে যেতে হয়েছে। এ বিষয় নিয়ে অনলাইন ও অফলাইন মিডিয়ায় আসছে প্রামান্য ও বিস্তারিত প্রতিবেদন।

গত ৩০ এপ্রিল দিনদুপুরে সিলেট জেলা বারের সদস্য (নং-৬২০) অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন মৃত্যুবরণ করেন। স্বাভাবিক মৃত্যু বলে স্বজনরা তাকে গ্রামের বাড়িতে নিয়ে দাফন করেন ও চাহারমের শিরনী করেন।এর পর ১০ মে ওই আইনজীবীর বিধবা শিপা বেগম জনৈক শাহজাহানের সাথে তার বিবাহের কাবিননামা রেজিষ্ট্রি করান।

মৃত্যূর এক মাস ৩৩ দিনের মাথায় ২জুন অ্যাডভোকেট আনোয়ারের ছোট ভাই মনোয়ার হোসেন আনোয়ারের বিধবা শিফা বেগমসহ ৮ জনকে এজাহারভুক্ত করে কোর্টের আদেশ নিয়ে সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা {নং-৪(৬)২১} দায়ের করেন। ওইদিনই পুলিশ শিফা বেগমকে সিলেট নগরের তালতলাস্থ ৩/গ বাসা থেকে গ্রেফতার করলে মামলার বাদী মনোয়ার ও তার স্বজনরা শিফা বেগমদের বাসা দখল করে নেন। রোববার শিফা বেগমের ৫দিনের রিমান্ড মঞ্জুর হলে পরদিন সোমবার (৭ জুন) থেকে তার রিমান্ড শুরু হওয়ার কথা।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) রিমান্ডের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

শেয়ার করুন