১৭ মার্চ ২০২১


বর্ণাঢ্য আয়োজনে মহানায়কের জন্মদিন পালিত

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মবার্ষিকী আজ। প্রতি বছর বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘জাতীয় শিশু দিবস’ হিসেবে উদযাপন করা হয়। এ উপলক্ষে সিলেটে সকাল থেকে সরকারি বেসরকারি উদ্যোগে বর্ণাঢ্য কর্মসূচী পালিত হচ্ছে। এবার জাতির পিতা শেখ মুজিুবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী হিসেবে ‘মুজিববর্ষ’ জাতীয়ভাবে পালিত হচ্ছে।

বুধবার দিবসটি উপলক্ষে সকাল ৯টায় সিলেট জেলা প্রশাসন প্রাঙ্গণে স্থাপিত বঙ্গবন্ধুর ম্যুরালে বিভাগীয় কমিশনার মশিউর রহমান এনডিসির পুস্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়।

পরে জেলা প্রশাসন, জেলা ও মহানগর পুলিশ, জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানায়।

এদিকে দিবসটি উপলক্ষে বিকেল চারটায় সিলেট জেলা পরিষদের আয়োজনে শুরু হবে তিনদিনব্যপী ‘বঙ্গবন্ধু উৎসব’। এছাড়া আওয়ামী লীগ এবং তাদের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের উদ্যোগে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিনব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

এদিকে, মুজিববর্ষকে কেন্দ্র করে সাজ সাজ রবে সেজেছে সিলেট নগরী। গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও মোড়ে সাঁটানো হয়েছে উৎসব লোগো সম্পর্কিত ব্যানার, ফেস্টুন। জাতির পিতার জন্ম উৎসবকে রঙিন করে তুলতে করা হয়েছে বর্ণিল আলোকসজ্জা। চলছে ডিজিটাল প্রচারণাও।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি শেখ মুজিবর রহমান ১৯২০ সালের এদিন তৎকালীন ভারতবর্ষের ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান ও মা শেখ সায়েরা খাতুন। লুৎফর-সায়েরা দম্পতির এ সন্তানই পরে এদেশের মানুষের মুক্তির ত্রাতা হিসেবে আবির্ভূত হন। বাঙালির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কাল রাতে একদল বিপথগামী সেনা সদস্যের হাতে স্ব-পরিবারে নিহত হন।

পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বঙ্গবন্ধু তার গতিশীল নেতৃত্বে বাঙালি জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন এবং বাঙালি জাতির অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেন। তার নির্দেশনায় দীর্ঘ ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়।

২০২০ সাল ছিল বঙ্গবন্ধুর জন্মশত বার্ষিকী। বছরব্যাপী জাতির জনকের জন্মশত বার্ষিকীর অনুষ্ঠান সরকারি এবং বেসরকারিভাবে উদযাপিত হয়ে আসছে। কিন্তু করোনার প্রকোপে অনেক কর্মসূচি স্থগিত করা হয়, যা এবার উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এছাড়া মুজিববর্ষের কলেবরও কিছুদিন বাড়ানো হয়েছে। সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী এ বছরের ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত মুজিববর্ষ পালিত হবে।

এ ছাড়া দেশব্যাপী মসজিদে দোয়া মাহফিল ও মিলাদ মাহফিল এবং মন্দির, প্যাগোডা, গির্জাসহ সকল ধর্মীয় উপাসনালয়ে বিশেষ প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে বাদ জোহর বিশেষ প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন