২৯ জানুয়ারি ২০২১


আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশ : এলজিআরডি মন্ত্রী

শেয়ার করুন

এমদাদুর রহমান চৌধুরী জিয়া : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, জাতির জনক পাকিস্তানের অন্যায় আচরনের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সারা জীবন জেল খেটেছেন। স্বপ্ন দেখেছেন উন্নত বাংলাদেশ তৈরি করবেন। আমরা যদি বঙ্গবন্ধুকে না হারাতাম তবে দেশ আরো অনেক এগিয়ে যেত। আমরা বঙ্গবন্ধুকে হারিয়েছি। এর পর দীর্ঘ ২১ বছরে সব কিছু ক্ষত বিক্ষত হয়ে সযায়। এর পর বঙ্গবন্ধুর কন্যা ১৯৮১ সালে দেশে এসে বাংলার এপ্রান্ত থকে অপর প্রান্ত পর্যন্ত ছুটেছেন। এর ফলেই এখন পদ্মাসেতু আমাদের নিজের টাকায় করেছি। খাদ্য উৎপাদনে যে ঘাটতি ছিল তা পুরণ হয়েছে। বিদ্যুতের বেহাল অবস্থার পরিবর্তন করা হয়েছে। কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় ২০২১ সালেই আমরা উন্নয়নশীল দেশে উন্নিত হয়েছি। আমাদের বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন বঙ্গবন্ধু আর সমৃদ্ধ দেশ উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

শুক্রবার বিকেলে নগরীর হোটেল স্টার প্যাসিফিকে সিলেটের উন্নয়ন বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. একে আবদুল মোমেন, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিলেটের শিক্ষার অবস্থা খুব খারাপ বলে মন্তব্য করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সিলেটে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা খুব কম। শিক্ষার হার বাড়াতে হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা বাড়াতে হবে। আমাদের সবাইকে এক সাথে কাজ করতে হবে। সিলেট নগরে খেলার জন্য মাঠ নেই। এজন্য আমার দুঃখ হয়। কারণ বিশ্বের বিভিন্ন শহরে যদি আমরা যদি দেখি তাহলে কয়েকটা মাঠ থাকে। যেগুলোতে ছেলে-মেয়েরা খেলাধুলা করছে। তবে আশার খবর হলো, জেলা প্রশাসন নগরীর কালোপাথরের মাঠটিকে নির্বাচন করেছেন। এজন্য জমি অধিগ্রহণের প্রক্রিয়াও চলছে। তবে আমি বলেছি আরও দুই-তিনটি মাঠের জায়গা খুঁজে বের করার জন্য।

এর আগে দুপুরে নগরীর চৌহাট্টা হতে বন্দরবাজার পর্যন্ত সড়ক সম্প্রসারণ, রোড ডিভাইডার, ফুটপাত নির্মাণ ও সড়কবাতি স্থাপনের কাজের উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এমপি।

জানা যায়, এই প্রকল্পটি ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ৬ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ের কাজটি শুরু হয়। প্রকল্পের মধ্যে এসফল্ট দ্বারা রাস্তা উন্নয়ন ৮৬০ মিটার, রাস্তার উভয়পার্শে ফুটপাতসহ ড্রেন ১৬৮০ মিটার, সৌন্দর্য্যবর্ধন কাঠামোরসহ রোড ডিভাইডার ১০৬০ এবং ৬২ টি সড়ক বাতি লাগানো হয়।

এছাড়াও সিলেটে এসে উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড পরিদর্শনের অংশ হিসেবে প্রথমেই উপশহরের মেন্দিবাগস্থ জেলা পরিষদ বিপণিবিতানের উদ্বোধন করেন দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন এমপি ও পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

শেয়ার করুন