১ জানুয়ারি ২০২১
নিজস্ব প্রতিবেদক : ডা. শাকির আহমদ শাহীন। পেশায় কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। নগরীর একটি বেসরকারী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে সহযোগী অধ্যাপক হিসেব কর্মরত আছেন। উচ্চবিদ্যালয়ে পড়া অবস্থায়ই যোগদেন জয় বাংলার মিছিলে। সেই থেকেই পথ চলা শুরু। জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে প্রত্যন্ত অঞ্চলে কাজ করছেন তিনি।
ডা. শাহীনের বাড়ি বঙ্গবীর ওসমানীর স্মৃতিবিজড়িত ওসমানীনগর উপজেলা গলমুকাপন গ্রামে। ছোটবেলায় বাবার কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুর গল্প শুনেই আকৃষ্ট হন জাতির পিতার প্রতি। তিনি ১৯৮৭-৮৮ সেশনে শরৎসুন্দরী উচ্চ বিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। তৎক্ষালিন সময়ে অভিবক্ত বালাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে আব্দাল মিয়ার নাম প্রস্তাপব করেন তিনি। এর পর তার প্রস্তাবক্রমেই আব্দাল মিয়া নির্বাচিত হন। এর পর ১৯৯২-৯৩ সেশনে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ছাত্রলীগের কোষাধক্ষ্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তৎক্ষালিন সময়ে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বর্তমানে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. আজিজুর রহমান রুমান।
বর্তমানে ওসমানীনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্য বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের প্রস্তাবিত কমিটিতেও একই পদে তার নাম প্রস্তাব করা হয়েছে। তিনি বিএমএ এবং স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ স্বাচিব এর সদস্য।
চিকিৎসা পেশায় ব্যস্থ থাকলেও এই মানুষটি প্রতি শুক্র ও শনিবার ছুটে যান জন্মমাটিতে। এলাকার গরীব, দুস্থ ও অসহায় মানুষদের বিনামূল্যে চিকিৎসা দেন। প্রতি আগষ্ট মাসে জাতির পিতা ও তাঁর পরিবরের শহীদ হওয়া সদস্যদের মাগফেরাত কামনায় তার এলাকায় বিশেষ ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প করেন। গ্রামের অবহেলিত হতদরিদ্র মানুষদের জন্য জাতির পিতার নামে একটি স্বাস্থ্য সেবা প্রকল্প করা তার দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন।
ইদানিং রাজনৈতিক কর্মসূচীর বাহিরেও তাকে বিভিন্ন সামাজিক অনুষ্ঠানেরও রয়েয়ে তার সরব উপস্থিতি। তার কর্মতৎপরা এলাকায় বেশ সাড়া পড়েছে।
চিকিৎসা পেশা আর রাজনীতি এক সাথে কি ভাবে সমন্বয় করেন এমন বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. শাকির আহমদ শহীন বলেন, চিকিসা আমার পেশা হলেও রাজনীতি আমার নেশা। রাজনীতি আমার প্রতিটি রক্তকনায় মিশে আছে। এই দুটি কাজের মাধ্যমেই মানুষের সেবা করা যায়। পদ-পদবী বড় কথা নয় শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত জাতির পিতার আদর্শ বাস্তবায়নে কাজ করে যাব। তবে দলের যেকোন প্রয়োজনে আমাকে যে দায়িত্ব দেবে তা মাথা পেতে নেব।