৯ ডিসেম্বর ২০২০
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে শীতের প্রকোপ বাড়তে শুরু করেছে। সময় বাড়ার সাথে সাথে বাড়ছে শীতের দাপট। সেইসঙ্গে হিমেল বাতাস শীতের তীব্রতা বাড়িয়ে দিচ্ছে। তবে শহরের তুলনায় অবশ্য গ্রামে শীত অনুভূত হচ্ছে বেশি।
আবহাওয়া অধিদপ্তর ডিসেম্বর মাসে শীত পড়ার আভাস দিয়ে আসছিলো। নভেম্বর থেকে শীত অনুভূত হলেও চলতি মাসের শুরু থেকে একটু বেশি শীত পড়ছে। ভোরের দিকে শহরের অনেক এলাকায় কুশায়াও পড়তে শুরু করেছে। তবে সকালের দিকে রোদ উঠার পরও দীর্ঘ সময় শীতের সাথে প্রবাহিত হয় তীব্র শীতল বাতাস। যা নবজাতক এবং শিশুদের জন্য বয়ে আনছে জ্বর সর্দিসহ শীতজনিত নানা রোগ। করোনাকালীন এসময়ে শিশুদের ব্যাপারে অভিভাবকদের বেশি যত্নশীল হবারও তাগিদ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা।
তবে শহরের তুলনায় অবশ্য গ্রামে শীত বেশি অনুভূত হচ্ছে। সারারাত শিশির পরার পর সকালের বেশ কিছু সময় পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় চারদিক আচ্ছন্ন থাকে। শীত বেড়ে যাওয়ায় অনেকে বিকেল থেকেই শীতবস্ত্র পড়ছেন। আমাদের বিভিন্ন উপজেলা প্রতিনিধি জানান, গত কয়েকদিন ধরে ঘনকুয়াশার সাথে বাড়ছে শীত।
কৃষকরা বলছেন, এবার আগে আগে শীত পড়ে গেছে। সকালে ফসলের ক্ষেতে কাজ করতে কষ্ট হচ্ছে। তারা বলছেন, দিনে রোদ আর রাতে বেশি ঠান্ডা পড়ছে। বেশি ঠান্ডায় খড়কুটোয় আগুন জ্বালিয়ে তারা শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন। মহাসড়কগুলোতে সকালে ঘন কুয়াশায় হেড লাইট জ্বালিয়ে চলাচল করছে বাস-ট্রাক, ট্রেনসহ যানবাহন। তবে শীত বাড়ায় গরম কাপড়ের অভাবে বেশি কষ্টে রয়েছে খেটে খাওয়া অভাবী মানুষ।
সিলেট আবহাওয়া অফিসের সিনিয়র আবহাওয়াবিদ সাঈদ আহমদ চৌধুরী জানান, এবার অনেক আগেভাগেই শীত পড়তে শুরু করেছে। সামনে আরো শীত বাড়বে।