৭ অক্টোবর ২০১৭
শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলে দ্ররিদ্র পরিবারের ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে নিজঘরে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধর্ষিতা মেয়েটিকে সুচিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে শনিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটারদিকে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের গোলগাঁও গ্রামের কৃষক লিয়াকত আলীর বাড়ীতে।
শনিবার বিকেল ৪টারদিকে ধর্ষক কুতব আলীকে (৩০)কে আসামী করে শ্রীমঙ্গল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
ধর্ষিতা মেয়ের বাবা কৃষক লিয়াকত আলী জানান, শনিবার ভোর সাড়ে সাতটা থেকে আনুমানিক আটটারদিকে ১৪ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে বাড়িতে রেখে আমার পরিবারকে নিয়ে বন্দের (ফসলী জমি) ক্ষেতে মুলা বপন করতে যাই। এরই ফাঁকে পাশের বাড়ীর রুস্তম আলীর ছেলে কতুব আলী আমার কিশোরী মেয়েকে বাড়ীতে চুলায় চা জ্বাল দেয়া অবস্থায় একা পেয়ে তার কাছে (গুয়া) পান খেতে চায়। একথা বলার ফাঁকে মেয়েটিকে হঠাৎ ঝাঁপটে ধরে তাকে উপুর্যুপুরি ধর্ষন করে মাটিতে অজ্ঞান অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। এর বেশকিছুসময় পর মেয়েটির জ্ঞান ফিরলে অঝোরে কান্না কাটি করতে থাকে। এ ঘটনার পর থেকে ধর্ষক কুতুব আলী এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছে।
তিনি বলেন, কতুব আলী বিবাহিত। তার এক মেয়ে আছে।
ধর্ষিতা মেয়ের বাবা লিয়াকত আলী বলেন, আমরা এত আইন কানুন জানিনা। হসপিটালে ডাক্তার কইছেন মেয়েটি ৬/৭দিন থাকতে অইব। তিনি কান্না কাটি করে বলেন, আমার মেয়ের ইজ্জত ফিরে চাই। এই অত্যাচার ও নির্যাতনের বিচার চাই। আসামী কুতুবের গ্রেফতার চাই।
এ ব্যাপারে শ্রীমঙ্গল থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো.রফিকুল ইসলাম বলেন,ধর্ষণের ঘটনায় থানায় বিকেলে একটি অভিযোগ আমরা পেয়েছি। ধর্ষক ছেলেটি ঘটনার পর গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে। আর মেয়েটির বাবাকে পরামর্শ দিয়েছি তাকে মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করার জন্য।
(আজকের সিলেট/৭ অক্টোবর/এসটি/ঘ.)