২৩ আগস্ট ২০২০


মেকানিকের ভুলেই ‘গ্রাইন্ডিং মেশিন’ কাণ্ড

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের চৌহাট্টায় পুলিশের মোটরসাইকেল থেকে ‘গ্রাইন্ডিং মেশিন’ উদ্ধারের ১৫ দিন পর সেই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ। মেকানিকের ভুলে গ্রাইন্ডিং মেশিনটি মোটরসাইকেলে রয়ে গিয়েছিল বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

এসএমপির অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (মিডিয়া) জ্যোতির্ময় সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনার দিন দুপুরে ডিউটিতে যাওয়ার আগে মোটরসাইকেলটি কুমারপাড়ার মুন্না ওয়ার্কশপে নিয়ে যান সার্জেন্ট চয়ন নাইডু। কাজ শেষ হতে সময় লাগবে বলে মোটরসাইকেলটি ওয়ার্কশপে রেখেই ডিউটিতে চলে যান। পরে ওয়ার্কশপের এক মেকানিক নষ্ট গ্রাইন্ডিং মেশিনটি মোটরসাইকেলের উপরে রেখে যান। হয়তো নিজের গাড়ি মনে করে ভুলে মেশিনটি রাখেন তিনি। অন্য কোনো উদ্দেশ্য না থাকায় এ বিষয়ে কোনো মামলা হচ্ছে না।

তিনি আরো জানান, ঘটনার পর পর সার্জেন্ট চয়ন নাইডুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। তবে গ্রাইন্ডিং মেশিনকাণ্ডের সমাধান হলেও তার বরখাস্তের আদেশ এখনই উঠছে না। মূলত দায়িত্বে অবহেলার জন্য তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এছাড়া সরকারি মোটরসাইকেল ব্যবহারের কিছু নিয়ম আছে। সব মিলিয়ে তার ব্যাপারে বিভাগীয় সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

৫ আগস্ট সন্ধ্যায় ট্রাফিক সার্জেন্ট চয়ন নাইডু তার মোটরসাইকেলটি নগরীর চৌহাট্টা পয়েন্টে রেখে যান। ফিরে এসে মোটরসাইকেলে বোমাসদৃশ একটি বস্তু দেখতে পান। বিষয়টি থানায় অবহিত করলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত এসে ঘটনাস্থল ঘিরে রাখে। ওইরাতে র‍্যাব-৯ সিলেটের একটি বএমবি ডিসপোজাল টিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। পরে পুলিশের কর্মকর্তা বিষয়টি ঢাকায় জানান। পরদিন বিকেলে সেনাবাহিনীর ১৭ পদাতিক ডিভিশনের একটি বম্ব ডিসপোজাল টিম বোমাসদৃশ বস্তুটি মোটরসাইকেল থেকে খুলে ফেলে। এরপর সেটি বোমা নয়, গ্রাইন্ডিং মেশিন বলে নিশ্চিত করা হয়।

শেয়ার করুন