৯ জুলাই ২০২০
শেরপুর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের সরকারবাজার-গোরারাই সড়কের খঞ্জনপুর থেকে গোরারাই নামক স্থানে ১৪/১৫টি বৃক্ষ কেটে নেওয়ার অভিযোগ ওঠেছে স্থানীয় মেম্বারের বিরুদ্ধে। আর মৌলভীবাজার এলজিইডি কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া রাস্তা, স্কুল ও বাজারের পাশের গাছ কাটায় এলাকার মানুষের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।
জানা যায়, মৌলভীবাজার এলজিইডি কর্তৃপক্ষের নিয়ন্ত্রণাধীন সদর উপজেলার সরকারবাজার-গোরারাই সড়কের খঞ্জনপুর থেকে গোরারাই নামক স্থানে রাস্তার পাশের ১৪/১৫টি গাছ কেটে নিয়েছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য আহমদ উদ্দিন। সড়কের পাশে সরকারী ভাবে লাগানো বড় আকৃতির মূল্যবান শিশু জাতীয় বৃক্ষ কেটে নেওয়ায় সরকার বড় অঙ্কের রাজস্ব হারিয়েছে।
বুধবার গোরারাই এলাকার মানুষ সরকারী গাছ কেটে নেওয়ার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে কাটা দু’টি গাছ ফেলে চলে যান ওই মেম্বার।
স্থানীয় গোরারাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি খালিছুর রহমান জানান, গত কয়েক দিন ধরে খলিলপুর ইউপি সদস্য অন্তত ১৫টি পরিবেশ বান্ধব মূল্যবান বৃক্ষ কেটে নিয়েছেন। বুধবার সকালের দিকে, খঞ্জনপুর, গোরারাইবাজার ও গোরারাই সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে ৪টি গাছ কাটেন ওই মেম্বার।
তখন এলাকার মানুষ গাছ কাটার বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। বাধা বিপত্তি উপেক্ষ করে মেম্বার ক্ষমতা বলে গাছ কাটতে থাকেন। এক পর্যায়ে বিপুল সংখ্যক এলাকাবাসী কঠোর অবস্থান নিলে তিনি কাটা গাছ ফেলে পালিয়ে যান। ইতিপূর্বে ওই আরও ১০/১১টি গাছ কেটে নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন এলাকাবাসী।
তবে অভিযুক্ত ইউপি সদস্য আহমদ উদ্দিন গণমাধ্যমকে বলেন, ঝড় তুফানে ডাল পালা ভেঙ্গে যাওয়া ২/৩টি শুকনা বৃক্ষ জ্বালানী হিসেবে ব্যবহারের জন্য কেটেছিলাম। এলাকাবাসী প্রতিবাদ করায় কাটা গাছ ফেলে এসেছি।
সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার নির্বাহী অফিসার শরীফুল ইসলাম বলেন, সড়কের পাশের সরকারী গাছ কাটার অনুমোদন কিংবা গাছ কেটে নিয়েছে এ ধরণের অভিযোগ কেউ দেয়নি।
মৌলভীবাজার এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আজিজুর রহমান বলেন, সংশ্লিষ্ট সরকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া সড়কের পাশের গাছ কেটে নেওয়া বেআইনী। তাছাড়া বৃক্ষ নিধন পরিবেশের জন্য হুমকী স্বরূপ। এ ব্যাপারে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।