২১ জুন ২০২০
ডেস্ক রিপোর্ট : স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয় কর্তৃক চিহ্নিত করোনা আক্রান্তের রেড জোন সিলেট বিভাগের মধ্যে সর্বোচ্চ আক্রান্ত ও মৃত্যু সিলেট জেলার মানুষের। চার জেলায় এ পর্যন্ত ২৯৮৬ জন করোনায় আক্রান্তের মধ্যে সিলেট জেলায় ১৬৮৮ জন, চার জেলায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৬ জনের, এর মধ্যে সিলেট জেলায় ৪৫ জন। অন্য তিন জেলাকে ছাপিয়ে সিলেট জেলায় প্রতিদিন আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে।
এদিকে, লকডাউনের কড়াকড়ি, যথাযথ আইসোলেশন এবং কোয়ারেন্টিন ও স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার মাধ্যমে চীন ও ইতালি দ্রুত করোনাভাইরাসের সংক্রমণ দমন করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশ সেই নীতি অনুসরণ করলে সংক্রমণের মাত্রা ব্যাপকভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশে সংক্রমণের চূড়ান্ত পর্যায় কখন আসবে এবং সেটা কত সময় ধরে স্থায়ী হবে সেটা নির্ভর করবে, কত টেস্ট করা হচ্ছে, মানুষ কতটা স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলছে, সরকার কতটা কঠোরতা আরোপ করছে এবং নজরদারি করছে এসবের ওপর।
সরকার কর্তৃক রেডজোন চিহ্নিত করে লকডাউন করার উদ্দেশ্যে সিলেট নগরী ও জেলা পর্যায়ে রেড জোন চিহ্নিত করা হয়েছে। দফায় দফায় সভা করে সিলেট নগরীর ২৪ টি ওয়ার্ডকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। একই সাথে জেলার বিভিন্ন উপজেলার অংশ বিশেষকেও করোনা সংক্রমণের দিক বিবেচনায় রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সিলেট জেলা প্রশাসনের মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলেও এখনো কোন নির্দেশনা পায়নি স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
সিলেটের জেলা প্রশাসক এম কাজী এমদাদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, গত বুধবার সভা শেষে সিলেটকে এলাকাভিত্তিক রেড জোনের যে প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল তার প্রতি উত্তরে কোনো নির্দেশনা এখনো আসেনি।
উল্লেখ্য, গত বুধবার রেড জোনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর বিভিন্ন গণমাধ্যমে লকডাউনের খবর প্রচার হলে সে সময়ও সিলেটের জেলা প্রশাসক বলেছিলেন, আপাতত তারা রেড জোন শনাক্ত নিয়ে কাজ করছেন। আগে রেড জোনের যে প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছিল তা কিছুটা সংশোধন করে আবার মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এখন মন্ত্রণালয় তা গ্রহণ করে তাদের সিদ্ধান্ত জানালে উপজেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসন তা বাস্তবায়ন করবে এবং মহানগরীতে বাস্তবায়ন করবে সিটি কর্পোরেশন।